সময় সংবাদ

কেন আত্মহত্যা করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এই শিক্ষিকা?তার এই সুইসাইড নোট পড়ে দেখুন গা শিউরে উঠবে!!

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আবাসিক ভবন থেকে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আকতার জাহান জলির লাশ উদ্ধারের পর সেখানে ‘আত্মহত‌্যার’ একটি চিরকুট পাওয়া গেছে। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘সোয়াদকে যেনো ওর বাবা কোনওভাবেই নিজের হেফাজতে নিতে না পারে।’ তিনি আরও লিখেছেন, ‘আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়। শারীরিক, মানসিক চাপের কারণে আত্মহত্যা করলাম।’

‘আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়। শারীরিক, মানসিক চাপের কারণে আত্মহত্যা করলাম। সোয়াদকে যেনো ওর বাবা কোনওভাবেই নিজের হেফাজতে নিতে না পারে। যে বাবা নিজের সন্তানের গলায় ছুরি ধরতে পারে, সে কোনও সময় সন্তানকে মেরেও ফেলতে পারে বা মরতে বাধ্য করতে পারে। আমার মৃতদেহ ঢাকায় না নিয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দেওয়ার অনুরোধ করছি।’

এর আগে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের জুবেরি ভবনের ৩০৩ নম্বর কক্ষ থেকে শিক্ষক আক্তার জাহান জলির লাশ উদ্ধার করা হয় শুক্রবার। পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আকতার জাহানকে মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসরা প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন, হাসপাতালে নেওয়ার আগেই তিনি মারা গেছেন। তবে, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার আগে মুত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না।

গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শাতিল সিরাজ শুভ জানান, গত দুইদিন ধরে আকতার জাহানের ছেলে সোয়াদ তাকে ফোনে পাচ্ছিলেন না। পরে সোয়াদ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র উপদেষ্টা এবং তাদের প্রতিবেশী অধ্যাপক গোলাম সাব্বির সাত্তার তাপুকে জানান। গোলাম সাব্বির সাত্তার তখন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের কয়েকজন শিক্ষককে তা জানালে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মুজিবুল হক আজাদ খান এবং পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে তার কক্ষের সামনে গিয়ে ডাকাডাকি করেন।

কোনো সাড়া না পেয়ে অবশেষে দরজা ভেঙে তারা কক্ষে ঢোকেন। সেখানে তারা মশারি টাঙানো এবং আকতার জাহানকে বিছানায় অচেতন অবস্থায় পান। পরে দ্রুত তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে এলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের একই বিভাগের শিক্ষক তানভির আহমদের সঙ্গে দীর্ঘদিন সংসার করেন আকতার জাহান। ২০১২ সালে তাদের বিচ্ছেদ হয়। এরপর থেকে শিক্ষকদের জন্য বরাদ্দকৃত ওই আবাসিক ভবনে (জুবেরি) একাই থাকতেন আকতার জাহান। তাদের সংসারে একটি ছেলে (সোয়াদ) রয়েছে। সে ঢাকায় নানির বাড়ি থেকে পড়াশোনা করে।

দুইবার বিসিএসে প্রথম হয়েও যোগদান করেননি তিনি ! কে এই অবাক মেধাবী ???

ছেলেটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সদ্য পাশ করেছে।

পাশ করেই বিসিএস পরীক্ষা দিল এবং প্রচণ্ড পরিশ্রমের ফল হিসেবে প্রথম হল (১০ম বিসিএস পরীক্ষা)।

কিন্তু সবাইকে অবাক করে দিয়ে সেই ছেলে চাকরিতে যোগদান করলো না!!!

পরবর্তীতে ১২তম বিসিএস পরীক্ষা চলে এলো এবং সেই ছেলে আবার ভাইভাতে উপস্থিত!

ভাইভা বোর্ডের উপস্থিত সবাই অবাক হয়ে দেখল এই ছেলে ১০ম বিসিএস পরীক্ষায় প্রথম মেধাস্থানে ছিল!

বোর্ড কর্মকর্তারা জিজ্ঞেস করলেন, “জনাব, নাজিম উদ্দিন, আপনি কেন আগেরবার প্রথম হয়েও যোগদান সিভিল সার্ভিসে যোগদান করলেন না?”

উত্তরে নাজিম উদ্দিন জানালেন, আগেরবার বিসিএস পরীক্ষায় প্রথম হওয়ার পরেই তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে লেকচারার হিসেবে যোগদান করেন, তাই আর সিভিল সার্ভিসে যোগদান করেন নি। তারপর, বোর্ড কর্মকর্তারা জিজ্ঞেস করলেন, “এবার কেন আপনি আবার বিসিএস পরীক্ষা দিয়েছেন?” উত্তরে নাজিম উদ্দিন যা জানালেন তাতে বোর্ড কর্তাদের চক্ষু চড়কগাছ! নাজিম উদ্দিনের সরল উত্তর, “আসলে আমি একটু যাচাই করে দেখলাম, আমার সেই মেধা আর প্রস্তুতি ঠিক আছে কিনা”!!!

এতক্ষণ যা পড়লেন তার কিছুই গল্প নয়, বাস্তব সত্যি। আর সেই নাজিম উদ্দিন হলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সি‌স্টেমস্ বিভাগের প্রফেসর নাজিম উদ্দিন ভূঁইয়া, এফসিএমএ। আর হ্যাঁ, তিনি দ্বিতীয় বারেও বিসিএস পরীক্ষায় প্রথম হন। কিন্তু যোগদান করেননি, পেশা হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতাকেই বেছে নেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে একজন মানুষই বিসিএসে দুইবার প্রথম হয়েছেন, কিন্তু তিনি নিজেকে সেলিব্রিটি ঘোষণা করেননি, যাকে-তাকে তাচ্ছিল্য করেননি। কারণ, তিনি জানতেন, “যিনি যত বেশি জ্ঞানী, তিনি তত বেশি বিনয়ী।

নারী এসআইয়ের আত্মহত্যা-পুলিশের একজন এসআই কিছুই অভার থাকার নয়। জীবনের এ কি পরিণতি তার জীবনে। সরকারী এক নারী পুলিশ এবার আত্মহত্যার মতন এক ঘটনারই জন্ম দিল! তিনি তিন মাসের মাতৃত্বকালীন ছুটিতে ছিলেন। সাভার মডেল থানার ওই আবাসিক ভবনটিতে তিনিসহ তার দুই সন্তান এবং স্বামীও বসবাস করতেন।

জানা গেছে সাভার মডেল থানার আবাসিক ভবন থেকে তাহমিনা বেগম (৩০) নামে এক নারী উপ পরিদর্শকের (এসআই) ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার দিবাগত রাত ৯টার দিকে থানার তিন তলা কোয়ার্টারের নিচ তলার ফ্ল্যাট থেকে তার লাশ উদ্ধার করে সাভার মডেল থানা পুলিশ।

পুলিশ জানায়, রাতে ওই ফ্ল্যাটের একটি রুমে নারী এস আই তাহমিনা বেগম ঘুমাতে যান। তখন স্বামী মোবারক হোসেন পাশের কক্ষে বড় সন্তানকে ভাত খাওয়াচ্ছিলেন। পরে স্বামী মোবারক হোসেন পাশের ঘরে ঢুকতে গেলে তা ভেতর থেকে বন্ধ পান। পরে তিনি থানায় খবর দিলে পুলিশ দরজা ভেঙে লাশ উদ্ধার করে।

তাহমিনা-মোবারক দম্পতির তানভীর হোসেন (৫) ও মাহেরা নামের (২ মাস) দুই সন্তান রয়েছে। তাহমিনা সাভার থানায় ছয় বছর ধরে কর্মরত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। কি কারণে তার মৃত্যু হয়েছে তা জানা যায়নি।

জানা গেছে সাভার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মহসিনুল কাদির বলেন, লাশ উদ্ধারের সময় তাহমিনার ঘরে একটি চিরকুট পাওয়া গেছে, এতে লেখা ছিল ‘অামার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়’। এ জন্য বিষয়টিকে অাপাতত অাত্মহত্যা মনে হচ্ছে। তবে এর পেছনে কি কারণ থাকতে পারে তা তদন্ত ছাড়া বলা যাচ্ছে না!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close