জেলা সংবাদ

হাতিবান্ধা হানাদার মুক্ত দিবস আজ….

দৈনিক সময় ডেস্ক রিপোর্টঃ
মো:হযরত আলী (লালমনিরহাট, প্রতিনিধি)

আজ ৫ ডিসেম্বর। হাতিবান্ধা মুক্ত দিবস। ১৯৭১
সালের এই দিনে পাকিস্থানী হানাদার বাহিনীর
হাত থেকে মুক্ত হয় হাতিবান্ধা। পাক বাহিনী এ
দেশীয় দোসরদের সহযোগীতায় ৭১ সালের ৮ এপিল হাতিবান্ধা প্রথম প্রবেশ করেন।
তারা দক্ষিণ গড্ডিমারী ছকিরের ডাঙ্গা ও
বড়খাতা রেল ষ্টেশনে যুদ্ধ ক্যাপ স্থাপন করে যুদ্ধ
পরিচালনা করেন।
.
১৯৭১ সালের ১৫ আগষ্ট হাতিবান্ধার দিঘীর হাট,
পুর্ব সারোডুবি, দক্ষিণ গড্ডিমারী গ্রামে পাক
বাহিনীর সাথে মুক্তি বাহিনীর মুখোমুখি যুদ্ধে
ক্যাপ্টেন ফজলুল হক ও সুবাদার রঙ্গন, ৮ সেপ্টেম্বর ভবানীপুর গ্রামে বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবু সহ তিন জন এবং ৩০ নভেম্বর পারুলিয়ায় বোরহান উদ্দিন সহ ৫ জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন।
.
মুক্তিযোদ্ধারা ছাড়াও এ অঞ্চলের বাঙ্গালী
ইপিআর, আনসার সদস্যরা যৌথ ভাবে পাক
বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।
ভারতীয় সীমান্তের ওপারে ১১টি যুব প্রশিক্ষণ
শিবির স্থাপন করা হয় ।
এ সময় প্রশিক্ষিত যুব মুক্তিযোদ্ধারা অস্ত্রের
চাপ দিলে তৎকালীন সাব সেক্টর কমান্ডার
ক্যাপ্টেন নওয়াজীন পান বাড়ী ক্যাম্প থেকে
কিছু অস্ত্র এনে তাদের হাতে তুলে দেয়।
১১টি সেক্টরে বিভক্ত হয়ে হাতিবান্ধায় ৬ নং
সেক্টরের সাব সেক্টরের অধীনে যুদ্ধ চলে।
.
এ সাব সেক্টরের প্রথমে নেতৃত্বে ছিলেন ক্যাপ্টেন
নওয়াজীন পরে ক্যাপ্টেন মতিউর রহমান সাথে
ছিলেন কোম্পনী কমান্ডার বোরান উদ্দিন,গোলাম মোস্তফা, জহরুল হক, ফজুলুল হক,.আলতাব হোসেন ও মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আবু হারেজ। ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত যুদ্ধ চলে। ৫ ডিসেম্বর সকালের দিকে পাক বাহিনী – মুক্তি বাহিনীর মুখোমুখি।যুদ্ধে পাক বাহিনী পরাজিত হয়ে হাতিবান্ধা ছাড়লে ক্যাপ্টেন মতিউর রহমানের নেতৃত্বে হানাদার মুক্ত হয় হাতিবান্ধা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close