জাতীয়

অর্ধ সহস্রাধিক হাঁসের সঙ্গে এ কেমন শত্রুতা!

রাতের অন্ধকারে বিষ দিয়ে কিশোরগঞ্জে একটি খামারের অর্ধ সহস্রাধিক হাঁস মেরে ফেলার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

পূর্বশত্রুতার জের ধরে গ্রামের এক প্রতিপক্ষ এমন ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে ক্ষতিগ্রস্তদের অভিযোগ।

এদিকে ঘটনাটি আড়াল করতে খামার মালিক পক্ষকে ফাঁসাতে মিথ্যা মামলা দায়েরেরও অভিযোগ উঠেছে।

এতে হয়রানির শিকার হচ্ছেন খামার মালিক ও তার শ্রমিকরা।

জানা গেছে, কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলার সদর ইউনিয়নের বেতেগা হাওরে মামুন মিয়া নামে এক ব্যক্তি বোরো চাষাবাদের পাশাপাশি সেখানে বাড়তি আয়ের উদ্দেশে হাঁসের খামার স্থাপন করেন।

শ্রমিক নিয়োগ দিয়ে খামারটিতে কয়েক হাজার হাঁস প্রতিপালন করেন।

পূর্বশত্রুতার জের ধরে গত ৩০ নভেম্বর রাত ১১টার দিকে ওই হাওরে পাশাপাশি ঘর বেঁধে অবস্থানকারী বড়খাপন গ্রামের নূরুল ইসলাম ও তার লোকজন মামুন মিয়ার হাঁসের খামারে ঢুকে খাবারের সঙ্গে বিষ প্রয়োগ করে।

এ সময় হঠাৎ হাঁসের ডাক শুনে পাশের ঘরে শুয়ে থাকা খামারের কর্মচারীরা এগিয়ে গিয়ে তাদের হাতে-নাতে ধরার চেষ্টা করেন।

এ সময় দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

বিষ প্রয়োগের ঘটনায় ওই রাতেই খামারের ৪০০ ডিম পাড়া হাঁস মারা যায়।

এ খবর পেয়ে পরদিন কিশোরগঞ্জ থেকে খামার মালিক মামুন মিয়া ঘটনাস্থলে পৌঁছার আগেই প্রতিপক্ষ নূরুল ইসলাম ইটনা থানায় গিয়ে মামুন মিয়া ও তার ছোট ভাই সদর উপজেলার উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা নাছিরুজ্জামান সুমনসহ খামার শ্রমিকদের আসামি করে মারধর করার মিথ্যা মামলা দায়ের করেন।

এ ঘটনায় পরে খামার মালিক মামুনও বিষ দিয়ে তার খামারের হাঁস মারার অভিযোগ এনে থানায় মামলা দায়ের করেন।

ক্ষতিগ্রস্ত খামারি মামুন মিয়া অভিযোগ করে বলেন, পারিবারিক শত্রুতার জের ধরে আমাদের আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে রাতের অন্ধকারে বিষ প্রয়োগ করে খামারের হাঁস মেরে ফেলে পরদিন মিথ্যা ঘটনা সাজিয়ে মামলা করে উল্টো আমাদের ফাঁসানোর চেষ্টা করছে প্রতিপক্ষরা।

এ ব্যাপারে ইটনা থানার ওসি মো. আবদুল মালেক যুগান্তরকে জানান, যারা ঘটনার সময় কিশোরগঞ্জে অবস্থান করেও মামলার আসামি হয়েছেন তাদের অভিযোগপত্র থেকে বাদ দেয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close