আন্তর্জাতিক

একটি অমানবিক দৃশ্য দেখলো বিশ্ব!

নিজের পক্ষাঘাতগ্রস্ত ৬৪ বছর বয়সী মাকে ছাদ থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে হত্যা করলেন এক কলেজশিক্ষক। নিজেই মাকে হত্যা করে দুর্ঘটনা বা আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টাও করেন তিনি। এমন একটি অমানবিক দৃশ্য দেখলো বিশ্ব। গত বছরের সেপ্টেম্বরে হঠাৎ করেই মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের ফলে হাসপাতালে ভর্তি হন ৩৬ বছর বয়সী এই কলেজশিক্ষকের মা। এরপর তিনি পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে পড়েন। দেখভালের দায়িত্ব পড়ে ছেলের ওপর। মায়ের দেখভাল করতে গিয়ে কিছুদিনের মধ্যেই ত্যক্ত-বিরক্ত হয়ে যান ছেলে। শেষপর্যন্ত মাকে চারতলার ছাদ থেকে ফেলে দিয়ে পুলিশের কাছে আত্মহত্যা বলে চালান। পুলিশও বিশ্বাস করে। ঘটনাটি ঘটে গত ২৯ সেপ্টেম্বর ভারতের গুজরাটের রাজকোট জেলায়। মৃত ওই মা হলেন জয়শ্রীবেন আর পাষণ্ড ওই ছেলের নাম সন্দীপ নাথওয়ানি। তিনি রাজকোট কলেজের সহকারী অধ্যাপক। কিন্তু সবকিছু উল্টে যায় পুলিশের কাছে একটি ফোন আসার পর। তারপরই বাসার সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায় যে, সন্দীপ তার মাকে টেনেহিঁচড়ে জোর করে ছাদে নিয়ে যান। ছাদ থেকে ফেলে দিয়ে নিজের ঘরে ফেরেন। এমনকি প্রতিবেশীরা যখন জানায়, ছাদ থেকে পড়ে গেছে তার মা, তখন সে বিস্মিত হবার অভিনয়ও করে। পুলিশ সিসিটিভির ফুটেজ থেকে বুঝতে পারে যে চারতলা পর্যন্ত ওঠার সামর্থ্য নেই জয়শ্রীর, তাহলে আত্মহত্যা করল কীভাবে? পুলিশ জানায় এটা স্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছে ছেলে সন্দীপ তার মাকে ছাদ থেকে ফেলে হত্যা করেছে। এরপরই সন্দীপকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভিতে শুক্রবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Read In English»
Close