জেলা সংবাদ

নীলফামারীতে কালবৈশাখী ঝড়ে মা-মেয়েসহ সাতজনের মৃত্যু….

নীলফামারী প্রতিনিধি: নীলফামারী জেলায় কালবৈশাখী ঝড়ে মা-মেয়েসহ সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে ৫০ জন।

বৃহস্পতিবার জেলার ডোমার, জলঢাকা ও ডিমলা উপজেলার উপর দিয়ে এ কালবৈশাখী ঝড় বয়ে যায়। ২০ মিনিট ব্যাপী এ ঝড়ে অসংখ্য কাঁচা ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয় এবং গাছপালা উপড়ে পড়ে। এ সময় এসব হতাহতের ঘটনা ঘটে। পাশাপাশি শিলা বৃষ্টিতে বোরো ধান, পাট ও ভূট্টার ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে।

জলঢাকা উপজেলার মৃতরা হলো, খচিমাথা গ্রামের আলম হোসেনের স্ত্রী সুমাইয়া বেগম (৩০) ও তার তিন মাসের কন্যা সন্তান এবং মীরগঞ্জ ইউনিয়নের পূর্ব শিমুলবাড়ি মমিনূর রহমানের ছেলে ফ্লেক্সিলোড ব্যবসায়ী আশিকুর রহমান (২২)। উপজেলার ধর্মপাল ইউপি চেয়ারম্যান জামিনুর রহমান তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

ডোমার উপজেলার মৃতরা হলেন, উপজেলার কেতকীবাড়ি ইউনিয়নের বোতলগঞ্জ গ্রামের আইয়ুব আলীর ছেলে আবদার আলী (৫০), ভোগডাবুড়ি ইউনিয়নের খানকাশরীফ গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে জামিউল ইসলাম (১২), একই ইউনিয়নের শাখারীপাড়া গ্রামের শুকারু মামুদের স্ত্রী খদেজা বেগম (৫৫), গোমনাতি ইউনিয়নের চৌরঙ্গী বাজার গ্রামের ধৌলু মামুদের ছেলে আব্দুল গণি (৪০)। ডোমার থানার উপ-পরিদর্শক আরমান আলী ডোমার উপজেলায় তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেন।

এদিকে জলঢাকা উপজেলার ধর্মাপল ইউপি চেয়ারম্যান জামিনুর রহমান জানান, বেলা ১২টার দিকে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ খালেদ রহীম ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরির্দশন করেছেন। এ সময় মৃত মা-মেয়ের পরিবারকে তাৎক্ষণিকভাবে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রণয়নে নির্দেশ দিয়েছেন। তালিকা প্রণয়নের কাজ শেষে সরকারি সহায়তা প্রদান করা হবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক আবুল কাশেম আযাদ জানান, মাঠপর্যায়ে কর্মকর্তারা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরুপনের কাজ করছেন।

জেলা প্রশাসক বলেন, সকালে তিন উপজেলার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে মৃত সাত জনের পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি জন্য জনপ্রতিনিধিদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তালিকা প্রণয়ন শেষে ক্ষতিগ্রস্তদের সরকারি সহায়তা প্রদান করা হবে।

Source-Zoombangla

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *