বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

অবশেষে বিটিআরসি’র ‘কড়া’ নির্দেশনায় ভোগান্তির ‘একাংশ শেষ হলো’ মোবাইল গ্রাহকদের!…

ইন্টারনেট প্যাকেজ শেষ হবার পর গ্রাহকের অজান্তেই টাকা কেটে ‘বিল শক’ দেবার দিন মোবাইল অপারেটরদের!
সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা-
ইন্টারনেট প্যাকেজ শেষ হয়ে যাবার পর গ্রাহকের ‘অজান্তেই বেশি টাকা কেটে নেবার দিন শেষ হলো এবার মোবাইল কোম্পানীগুলোর। গ্রাহকদের ‘বিল শক’ থেকে মুক্তি দিতে মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারে ‘পে পার ইউজ (যতটুকু ব্যবহার ততটুকু বিল)’ এর সীমা ৫ টাকায় বেঁধে দিয়েছে নিয়ন্ত্রণ সংস্থা বিটিআরসি।

আর এই বেধে দেয়া নিয়ম কার্যকর হবে আগামী ১ মার্চ থেকে। মোবাইল গ্রাহকদের কাছে থেকে এই সংক্রান্ত নানা অভিযোগ পাবার পর ‘ভুতুরে বিলের’ নিয়ন্ত্রণ সীমা কার্যকর করতে আজ সোমবার অপারেটরগুলোর কাছে নির্দেশনা পাঠিয়েছে টেলি নিয়ন্ত্রণ সংস্থা বিটিআরসি

এতে বলা হয়েছে, গ্রাহকের অজান্তে ‘পে পার ইউজ’র বিল ৫ টাকার বেশি করা যাবে না; তবে গ্রাহক চাইলে এই হারে ব্যবহার চালিয়ে যেতে পারবেন।

সাধারণত মোবাইল ইন্টারনেটে ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিভিন্ন অপারেটরের গ্রাহকরা নানা প্যাকেজ নেন।

যদি কোনো গ্রাহকের ডেটা প্যাক থেকে থাকে কিন্তু মেয়াদ অনুযায়ী ব্যবহারের কোটা অতিক্রান্ত হয়ে যায় বা ডেটা শেষ হয়ে যায়, তখন অতিরিক্ত ব্যবহারের জন্য গ্রাহককে ‘পে পার ইউজ’ হারে বিল দিতে হয়।

এ্ই হার সাধারণত ০.০১ টাকা/১০ কেবি (+ট্যাক্স) বা ০.০২ টাকা/১০ কেবি চার্জ করা হয়ে থাকে; তবে অপারেটরদের ভিন্ন ভিন্ন হার রয়েছে।

অনেক সময় গ্রাহকদের প্যাকেজ শেষ হয়ে যাওয়ার পর তারা প্যাকেজটি নবায়ন করেন না বা পাকেজটি বন্ধ করা হয় না, তখন তার ইন্টারনেট ব্যবহার ‘পে পার ইউজ’ হারে চলে। এই হারে টাকা কাটার বিষয়টি অনেক সময় গ্রাহকের অজান্তেই ঘটে যায়।
বিটিআরসির পাঠানো চিঠিতে বলা হয়, ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে গ্রাহকদের ‘বিল শক’ থেকে রক্ষা করার জন্য ‘পে পার ইউজ’ ৫ টাকার বেশি হবে না।

“তবে কোনো গ্রাহক ৫ টাকার বেশি লিমিট নিতে চাইলে তার কাছ থেকে এমএসএস বা ইউএসএসডির মাধ্যমে কনসেন্ট বা সম্মতি নিতে হবে, যাতে করে গ্রাহকের কাছ থেকে পরবর্তীতে কোনো অভিযোগ উত্থাপিত হলে অপারেটর বা গ্রাহকের দৃশ্যমান প্রমাণ উপস্থাপন করা সম্ভব হয়।”

বিটিআরসি সচিব সরওয়ার আলম জানিয়েছেন, “গ্রাহক স্বার্থ রক্ষা এবং গ্রাহকরা যেন ক্ষতির সম্মুখীন না হন এ বিষয়টা বিবেচনা করেই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিটিআরসি।”

এছাড়া মোবাইল অপারেটরদের এই সঙ্গে ২০টি রেগুলার অফার এবং ১৫টি প্রমোশনাল অফার অর্থাৎ সর্বমোট অফার ৩৫টির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে বলেছে বিটিআরসি।

কোন কোন অফার রাখা হবে তার তালিকাও ১ মার্চের মধ্যে পাঠাতে অপারেটরদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *