শুক্রবার, ১৭ অগাস্ট ২০১৮, ০১:০৯ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ
ফেনীতে সিল্ক লাইন বাসে অভিযান চালিয়ে ৮ হাজার পিছ ইয়াবাসহ একজনকে আটক করেছে র‍্যাব-৭ ফেনী… নৌবাহিনীতে চাকরির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ…. সৌদিতে দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৪ বাংলাদেশি… হোটেল রুমে মির্জা আব্বাস- বেবী নাজনীনের ৩ ঘন্ট…… জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুর ৪৩ তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে ব্যাতিক্রমধর্মী শোক দিবস পালন করেছে ফেনী জেলা পুলিশ সুপার… রাজশাহীতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস দোকানে, স্কুলছাত্রীসহ প্রাণ গেল ২ জনের.. ঝিনাইদহ লাউদিয়া গ্রামের এক পরিবারের তিন শিশুকে যৌন নিপীড়ন…. ঝিনাইদহ জেলা রিপেটার্স ইউনিটি ও এনপিএস’র জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা শেষে শহর জুড়ে মটরসাইকেল র‌্যালি…. ভাটই বাজারে স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়ে বসবাস করা কথিক সাংবাদিক দম্পতি লিটন মিয়া ও আনোয়ারা পারভিন হ্যাপী এবার মহা গ্যাড়াকল…. ফেনী শহরে নিখোঁজের চার ঘণ্টা পর ডোবা থেকে শিশুর মীমের লাশ উদ্ধার…
loading...
নাটোরে ৮ম শ্রেণীর ছাত্রীর প্রতি নজর শিক্ষকের প্রেমে ব্যর্থ,অতপর…

নাটোরে ৮ম শ্রেণীর ছাত্রীর প্রতি নজর শিক্ষকের প্রেমে ব্যর্থ,অতপর…

loading...

সবার আদর্শ যিনি থাকেন কিন্তু সেই শিক্ষক যদি করে নিকৃষ্ট কোন ঘৃন্য কাজ তাহলে শিক্ষকের প্রতি সবার ধারনা বদলে যায় । তেমনি নিকৃষ্ট এক ঘটনা ঘটিয়েছিন নাটোর জেলার জোনাইল উপজেলার এম এল উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক সাইফুল ইসলাম।জানা গেছে

ক্লাস নিতে গিয়ে শিক্ষকের নজরে পড়ে যায় ১৪ বছর বয়সী অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। এর পর তাকে প্রথমে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে ব্যর্থ হন ওই শিক্ষক। পরে মেয়ের বাবাকে বুঝিয়ে বিয়ে করেন। ঘটনাটি নাটোর জেলার জোনাইল উপজেলার। স্কুল শিক্ষক সাইফুল ইসলাম বিয়ে করেছেন ছাত্রী রিয়া খাতুনকে। বুধবার বাল্য বধূকে ঘরে তুলবেন তিনি। রোববার মধ্যরাতে নিকট আত্মীয়দের সাথে নিয়ে বিয়ের কাজ সম্পন্ন করেন তিনি।

সাইফুল ইসলাম (২৭) উপজেলার জোনাইল এম এল উচ্চ বিদ্যালয়ের খন্ডকালীন শিক্ষক ও দারিকুশি গ্রামের রহিম ভূঁইয়ার ছেলে।

জানা যায়, অষ্টম শ্রেণির ক্লাস নিতে গিয়ে সাইফুল ইসলামের নজর পড়ে রিয়া খাতুনের প্রতি। এর পর তাকে প্রেমের প্রস্তাব দেন। ব্যর্থ হয়ে বিয়ের প্রস্তাব দেন রিয়ার বাবা গোবিন্দপুর গ্রামের নুরুল হোসেন নুরুর কাছে। ছেলে হিসাববিজ্ঞানে মাস্টার্স পাস ও স্কুল শিক্ষক। অগত্যা বাবা ছেলের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিতে পারেনি। অবশেষে মেয়ের অমতেই জোর করে বিয়ে দেয়া হয়।

এ বিষয়ে শিক্ষক সাইফুল ইসলাম বলেন, পছন্দ হয়েছে তাই কলেমা পড়িয়ে রেখেছি। এটা তো কান অপরাধ করেনি।সবাই আমার সম্মান হানি করছে ।

এ ব্যাপারে এম এল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আশিকুর জামান জানান, বুঝতেই পারি নাই হতবাক হওয়ার মত এমন ঘটনা ঘটবে। এটি আসলেই ন্যাক্কারজনক ঘটনা। এই ঘটনার পর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে শিক্ষক সাইফুল ইসলামকে আর স্কুলে আসতে দেয়া হবে না।তাকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. আনোয়ার পারভেজ বলেন, ওই শিক্ষক উচ্চ শিক্ষিত হয়েও দেশের প্রচলিত আইন ভঙ্গ করেছেন। এ ব্যপারে তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। সমাজে এই দুই একজন শিক্ষক এর জন্য কলঙ্কিত হয় পুরো শিক্ষক জাতি।

সংবাদটি ফেজবুকে সেয়ার করুন
loading...

অামাদের সংবাদ সংক্রান্ত তর্থ্য

সকল প্রকাশিত/সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট ইত্যদি অনলাইনের নানা সূত্র থেকে সংগৃহীত। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ীনয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের এবং প্রকাশিত সূত্রের। অামাদের প্রকাশিত সংবাদে কোন অভিযোগ থাকলে অামাদের জানাতে পারেন।


© All rights reserved © ২০১৭-২০১৮ দৈনিক সময়. কম
Design & Developed BY দৈনিক সময়