মঙ্গলবার, ২১ অগাস্ট ২০১৮, ০৪:১২ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ
ইয়াবা ব্যবসায়ী পলাতক এএসআইকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব…. ঝিনাইদহ-মাগুরা মহাসড়কের পাঁচমাইলে ট্রাক চাপায় ঢাকা কলেজের ছাত্র নিহত…. কালীগঞ্জে ভিজিএফ’র চাল ওজনে কম দেওয়ায় চেয়ারম্যানের গালে ভ্যান চালকের চড়…. ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কে ফেনীর ছাগলনাইয়া মুহুরীগঞ্জে ট্রাক ও মাইর্কোর সংঘর্ষে নিহত-৬ আহত-৭…. ফেনীর ছাগলনাইয়া পৌরসভাধীন উত্তর পানুয়া গ্রামে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গুলিবিদ্ধ ১ জনসহ আন্তজেলা ডাকাত দলের ৪ সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ… ফেনীতে র‍্যাবের সাথে বন্দুক যুদ্ধে দুই মাদক ব্যাবসায়ী নিহত…. বাংলাদেশ বিমানের বহরে যোগ হচ্ছে ড্রিমলাইনার বোয়িং উড়োজাহাজ.. ছাগলনাইয়া উপজেলায় পশুর হাট গুলি নিয়োমিত মনিটরিং করছে ওসি এমএম মুর্শেদ পিপিএম… কাল হজ, মিনায় ৩০ লাখ মুসল্লি… জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনান আর নেই….
loading...
মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর সমীপে, বাংলাদেশের শিক্ষার ক্রান্তিকাল ও করণীয়…

মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর সমীপে, বাংলাদেশের শিক্ষার ক্রান্তিকাল ও করণীয়…

loading...

মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর সমীপে, বাংলাদেশের শিক্ষার ক্রান্তিকাল ও করণীয়।

রতন ভট্টাচার্য দৈনিক সময়ঃ

যে শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড, সেই মেরুদন্ড এখন পক্ষাঘাতগ্রস্থ হয়ে নড়বড়ে, ভঙ্গুর ও প্রায় অচল হয়ে পড়াছে । দেশে শিক্ষা পদ্ধতি আর শিক্ষানীতি নিয়ে বিতর্ক বেশ জমজমাট। আমার বাল্যবন্ধু সুইডেন প্রবাসী রহমান মৃধা বেশ কিছুদিন থেকে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ও তার উন্নয়ন নিয়ে পত্র পত্রিকায় লেখালেখি করে চলেছেন। প্রবাসী হলেও তিনি বাংলাদেশের শিক্ষার মান ও সার্বিক নড়বড়ে অবস্থা নিয়ে বেশ উদ্বিগ্ন। কারণ তাঁর মতে সুশিক্ষা অর্জিত না হলে দেশের সার্বিক উন্নয়ন কখনই আসতে পারে না।
দেশের বিভিন্ন প্রেশার গ্রুপের দাবির কাছে নতি স্বীকার করে কোমলমতি শিশুদের শিক্ষাকেও এখনও একমুখী সর্বজনীনতায় রুপ দেওয়া সম্ভব হয়নি বাংলাদেশে । নানারুপ বিভেদ, বিভাজনের বিষে জর্জরিত হয়ে গেছে প্রাথমিক, মাধ্যমিক আর উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা।
এখানে বলা হয়ে থাকে, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দেশীয় শিক্ষার মান উন্নয়ন করতেই নাকি গ্রেডিং পদ্ধতির শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করা হোক। কিন্তু এই বিষয়ে বাস্তবে কী করা হলো? কী করা হচ্ছে! সাম্প্রতিক কয়েকটি নমুনা এবং এই আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষার সর্বশেষ দশা বা পরিস্থিতি খেয়াল করা যাক। মহামান্য রাষ্ট্রপতি নিজেও দেশের এই আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষার বেহাল দশায় চরম উদ্বেগ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন।
দেখা গেছে, গ্রেডিং পদ্ধতিতে জিপিএর জোয়ার বইতে শুরু করেছে । প্রতিটি বোর্ডে মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিকে হাজার হাজার জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হচ্ছে শিক্ষার্থীরা। এমন আন্তর্জাতিক মানেও সন্তুষ্ট হতে পারলোনা দেশ! পাসের হার বৃদ্ধি করতে হবে। শুরু হয়ে গেলো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শতভাগ পাসের হার নিশ্চিত করার প্রতিযোগিতা। অসম আর অসুস্থ্য এই প্রতিযোগিতায় বলি হতে শুরু করলো মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা ও শিক্ষার্থীরা।
খোদ শিক্ষকদের মধ্যে অনেকেই এবং অনেক বেকার যুবকেরা শিক্ষার নামে কোচিং ব্যবসা শুরু করলেন। পাসের হার ও জিপিএ -৫ এর শতভাগ নিশ্চয়তা দিয়ে বিজ্ঞাপন দিয়ে শিক্ষার্থী ধরা শুরু হলো। কোচিংয়ে কতিপয় অসাধু শিক্ষক ও কিছু অসাধু চক্র প্রশ্ন ফাঁস করে দিতে শুরু করেন। ক্রমান্বয়ে ভাইরাসের মতো ছড়িয়ে পড়লো সারা দেশজুড়ে প্রশ্নফাঁস ও তার আতঙ্ক।পরীক্ষার আগেই ফেসবুক, মেসেঞ্জার, ভাইবার ও হোয়াটসঅ্যাপে প্রশ্ন বিক্রি শুরু হয়। বিপুল অংকের অর্থের বিনিময়ে প্রশ্ন কিনে পরীক্ষা দেওয়া শিক্ষার্থীরাও গণহারে জিপিএ-৫ পেতে শুরু করে। পরীক্ষার পর পাসের হার বৃদ্ধির জন্য উত্তরপত্র মূল্যায়নকারী শিক্ষকদের জানিয়ে দেওয়া হয়,, যাই লিখবে তাতেই নম্বর দিতে হবে। এই প্রক্রিয়ায় উচ্চ পাশের হার এবং জিপিএ প্রাপ্তিতে সারা দেশে জিপিএর বন্যা বইয়ে দেওয়া হচ্ছে। আর এই জিপিএ-৫ এর করুণ দশা লক্ষ্য করা গেল উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও।
ফল হল এই যে, আগে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যে মানের শিক্ষার্থী পাওয়া যেত এখন সেই গুনগত মানের শিক্ষার্থী পাওয়া যাচ্ছে না। শিক্ষার্থীরা ইংলিশ এমনকি বাংলাও ভালো জানেনা।
অপরদিকে জিপিএ-৫ পাওয়া মেধাবী শিক্ষার্থীরা উচ্চ শিক্ষায় ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে গণহারে অকৃতকার্যও হয়। বিগত ২০১১,২০১২,১৩ ১৪,১৫,১৬ সালের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ নামী দামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোনো কোনো বিষয়ে এমনও হয়েছ। এই ধারা এখনও অব্যাহত রয়েছে। এরপর থেকে এই জিপিএ-৫ এর গুনগত মান নিয়ে প্রশ্ন এবং বিতর্ক দেখা দিয়েছে।
এমনকি মহামান্য রাস্ট্রপতি আব্দুল হামিদ একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তণ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে প্রশ্নফাঁস নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে অভিভাবক ও শিক্ষকদের উদ্দ্যেশ্যে বলেছেন,‘আমি বুঝিনা এ কেমন শিক্ষক যে ছাত্র/ছাত্রীদেরকে নকল সরবরাহ করে। মা-বাবারাই বা কেমন যারা নিজেরাই নিজেদের সন্তানদেরকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন।
মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক ছাড়াও নিয়োগ পরীক্ষা থেকে শুরু করে সব পরীক্ষায় এই প্রশ্নফাস এক কঠিন ব্যাধিতে পরিনত হয়েছে। এই ব্যাধি ক্রমান্বয়ে ছড়িয়ে পড়ছে গোটা দেশে। এখন এই ব্যাধি থেকে মুক্তির উপায় খোজা শুরু হয়েছে। কিন্তু উপায় যে আর মেলেনা।

এরই প্রেক্ষাপটে সম্প্রতি অনেকে এই ব্যধির প্রতিকার নিয়ে ভাবতে শুরু করেছেন। আমার সুইডেন প্রবাসী দেশপ্রেমিক একজন বন্ধু রহমান মৃধা গোটা শিক্ষা পদ্ধতির গলদ খুঁজে বের করে এর স্থায়ী প্রতিকারের জন্য সরকার ও দেশবাসীর প্রতি আহ্বান রেখেছেন।মান সম্পন্ন শিক্ষক নিয়োগ, প্রশিক্ষণ ও নিবিড় প্রশাসনিক পর্যবেক্ষনের মাধ্যমে দেশে সুশিক্ষার পরিবেশ গড়ে উঠতে পারে। তা বাস্তবায়নের জন্য তিনি দেশে একটি বা একাধিক শিক্ষক প্রশিক্ষন বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করে শিক্ষকদের মধ্যে বুনিয়াদী, কার্যকর ও আধুনিক শিক্ষা ছড়িয়ে দেওয়ার এক নতুন চিন্তা সরকার ও দেশবাসীর কাছে উপস্থাপন করেছেন।এই লক্ষ্যে তিনি সরকারকে অনুরোধ করেছেন। যেখানে যেন আধুনিক, বিজ্ঞান মনস্ক এক অগ্রণী চিন্তায় আমার পৃথিবী উদ্ভাসিত হয় আমার জ্ঞানের আলোকে! এই শিক্ষা হবে আমাদের উপার্জনের হাতিয়ার। রহমান মৃধার কথায়, শিক্ষা গ্রহনের পরেই প্রতিটি মানুষের সব ব্যস্ততা আবর্তিত হয় প্রত্যাশিত একটি চাকরীকে ঘিরে। এক্ষেত্রে দেশে এমন অবস্থা বিরাজ করছে যেখানে উচ্চশিক্ষিত হতে যতবছর সময় লাগছে চাকরি পেতে সেই ছাত্রকে এর চেয়েও বেশি সময় অপচয় করতে হচ্ছে। সেক্ষেত্রে তিনি একাধিক আধুনিক ধারনা দিয়েছেন। তার মতে, বর্তমান বিশ্বে চলছে চাহিদা ভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থা এবং গোটা বিশ্বের শিল্পকারখানা, প্রযুক্তি তাকে নিয়ন্ত্রণ করছে। পৃথিবীর উন্নত দেশে এখন আজীবন চাকরি বলে কিছু নেই, চাকরি আছে ততদিন যতদিন কাজ আছে এবং কাজ আছে ততদিন যতদিন চাহিদা আছে। শেয়ার মার্কেট নির্ধারণ করছে বর্তমান কর্মসংস্থান ও চাকরীর স্থায়িত্ব। শেয়ার হোল্ডার, রাজনৈতিক পরিস্থিতি, ক্লাইমেট পরিস্থিতি, এসব বিশাল আকারে প্রভাব বিস্তার করছে শিল্প কারখানা এবং অন্যান্য কর্মক্ষেত্রে। শিক্ষা ও শিক্ষার মান নির্ভর করছে গ্লোবাল চাহিদার উপর এবং সম্ভব হয়ে উঠছে না।

দুঃখের বিষয় দায়িত্ব ও দায়সারাগোছের এই শিক্ষা ম্যানেজমেন্ট এর কারনেই আজ শিক্ষার এই অধ:পতন হয়েছে। কিন্তু একই সাথে আমরা এই অবনতিকে সনাক্ত করতে পেরেছি। অতএব এখন সমাধানের সময়। তাই আর দেরি না করে এই বিশেষায়িত শিক্ষক প্রশিক্ষন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে তৈরি করতে হবে যোগ্যতাসম্পন্ন শিক্ষক। বর্তমান যে সব বিশ্ববিদ্যালয় বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে তারা জানে না কি ধরনের শিক্ষা দেওয়া দরকার একজন শিশু বিদ্যালয়ের শিক্ষককে। পুরো শিক্ষাঙ্গন খুঁজলে পাওয়া যাবে খুব কম সংখ্যক এইসব গুণসম্পন্ন শিক্ষক, নিবেদিত প্রাণ শিক্ষক । অতএব সময় এসেছে ভেবে দেখার মানুষ গড়ার কারিগর হতে হলে নিজেকে আগে পূর্ণ মানুষ হিসাবে তৈরি করতে/হতে হবে, মানুষের মত দেখতে হলেই মানুষ গড়ার কারিগর হওয়া যায় না, তার জন্য দরকার মিশন , ভিশন এবং পলেসি। সাথে ডেডিকেশন, প্যাশন, মোটিভেশন, গোলস এবং অবজেকটিভস। এর জন্য দরকার যাঁরা জানে তাদের থেকে শেখা এবং সে সব নিয়ম কানুন প্রয়োগ করতে হবে। শিক্ষামন্ত্রনালয়ের রদবদল করতে হবে প্রথমে এবং জনগনের মনোনীত প্রার্থী ও স্বয়ং শিক্ষামন্ত্রীর নেতৃত্বে এ কাজ শুরু করতে হবে। দেশকে বহিশত্রুর থেকে মুক্ত করলেই তো দেশ মুক্ত হলো না? দেশকে খাদ্যের অভাবমুক্ত, অন্ন-বস্ত্রের অভাবমুক্ত, কুশিক্ষা মুক্ত, পরাধীন চেতনা মুক্ত, দুর্নীতি মুক্ত করতে হবে। সোনার বাংলা গড়তে হলে যারা বর্তমানে নানা দায়িত্বে আছেন তাঁদেরকে সক্রিয়ভাবে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে হবে। বাংলাদেশের শিক্ষাঙ্গনের এই দুর্দিনে সামরিক বাহিনী পরিচালিত ক্যাডেট কলেজগুলোর থেকে আমরা তাঁদের প্লানিং টুল ফর এ্যাডমিনিসট্রেশন,ডিসিপ্লিন,সোর্স ইন্টিগ্রেশন, সিনক্রোনাইজেশন অ্যান্ড ম্যানেজমেন্টের শিক্ষা ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে পারি ।
একটি বিষয়ে বিশেষভাবে গুরুত্ব দিতে হবে তা হল আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার কোন স্তরেই যেন এমন কিছু শিক্ষা দান করা না হয় যাতে ছাত্রছাত্রীরা ধর্ম, বর্ণ, জাতি, সম্প্রদায়ের বিভেদ জ্ঞানে কলুষিত হয়ে পড়ে।জ্ঞানদান যেন এমন হয় যে সব কিছু জানার মাধ্যমে বৈচিত্রের মাধ্যমে মানুষে মানুষে ঐক্য ও ভাতৃত্ববোধ গড়ে ওঠে। বাংলাদেশের সবাই শিক্ষার বিষয়টি দেখছে, জানছে, জল্পনা-কল্পনা করছে কিন্তু কীভাবে শিক্ষার গুনগত পরিবর্তন করা যায় তা নিয়ে খুব কমই কথা হচ্ছে , এখনও চলছে সেই সনাতন শিক্ষাদান পদ্ধতি যা বয়ে আনছে দেশে শুধু অন্ধকার ও বেকারত্ব, আজ জাতি সত্যিকারের শিক্ষা হারিয়ে ফেলছে। সুশিক্ষা, মানসম্মত শিক্ষার অভাবে যে সামান্য সুযোগ সুবিধা দেশে রয়েছে তার দিকে চেয়ে আছে লাখ লাখ বেকার যুবক। চাকরিতে লোক নিয়োগ হবে একজন, হাজার প্রার্থী তাতে আবেদন করছে। ‘কোটা’ থাকা সত্ত্বেও হবে কি চাকরি সবার? যারা চাকরি পাবে না তাদের কর্মসংস্থানের জন্য কী ভাবা হচ্ছে? দেশে লাখ লাখ বেকার তৈরির এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর কি কোনো জবাবদিহিতা আছে? সরকারের কী বক্তব্য এই ব্যপারে? এসব ঘটনার পর, ভাবনা একটাই মনের মধ্যে- কীভাবে সম্ভব একটি বিশেষায়িত শিক্ষক প্রশিক্ষণ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা যেখানে জাতি তার উত্তর খুঁজে বের করবে- কী পড়াব, কতটুকু পড়াব, কতজনকে পড়াব, দেশের কতটুকু কী দরকার? চাহিদার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ মানসম্পন্ন প্রয়োজনীয় শিক্ষার মাধ্যমে তৈরি করতে হবে সুশিক্ষিত জাতি। সচেতন জাতি খুঁজে বের করে সমাধান,অজুহাত নয়। সাবধানতাই একমাত্র সুশিক্ষার পথ। সুশিক্ষার কারিগর পেতে হলে এবং মনুষ্যত্বের বিকাশ ঘটাতে হলে দরকার এই বিশেষাযিত শিক্ষক প্রশিক্ষণ বিশ্ববিদ্যালয় এবং এই বিশ্ববিদ্যালয়ের কনসেপ্টের মধ্যে জানতে হবে, জানতে হলে শিখতে হব, শিখতে হলে পড়তে হবে, আর পড়তে হলে চিন্তাচেতনায় পরিবর্তন আনতে হবে শিক্ষকদের। তবেই হবে শিক্ষার স্বার্থকতা আর শিক্ষক হবে সুশিক্ষার কারিগর।বিশেষায়িত শিক্ষক প্রশিক্ষণ বিশ্ববিদ্যালয় হতে পারে তার সমাধান।তাই শিক্ষাঙ্গনে এক বিরাট পরিবর্তনের জন্য চাই সংশ্লিষ্ট সকলের সক্রিয় অংশগ্রহণ এমনটাই মনে করেন সুইডেন প্রবাসী রহমান মৃধা।

রতন ভট্টাচার্য,
সহকারী অধ্যাপক, পরিসংখ্যান বিভাগ
কে,এইচ ডিগ্রি কলেজ, রাজশাহী।

সংবাদটি ফেজবুকে সেয়ার করুন
loading...

অামাদের সংবাদ সংক্রান্ত তর্থ্য

সকল প্রকাশিত/সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট ইত্যদি অনলাইনের নানা সূত্র থেকে সংগৃহীত। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ীনয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের এবং প্রকাশিত সূত্রের। অামাদের প্রকাশিত সংবাদে কোন অভিযোগ থাকলে অামাদের জানাতে পারেন।


© All rights reserved © ২০১৭-২০১৮ দৈনিক সময়. কম
Design & Developed BY দৈনিক সময়