মঙ্গলবার, ১৯ Jun ২০১৮, ০৬:৪২ অপরাহ্ন

দিনাজপুরে শিক্ষকের এ কী কান্ড,৫ম শ্রেণীর ছাত্রীর গর্ভে নিজের সন্তান !

দিনাজপুরে শিক্ষকের এ কী কান্ড,৫ম শ্রেণীর ছাত্রীর গর্ভে নিজের সন্তান !

সারাদেশে প্রতিনিয়ত ধর্ষনের ঘটনা ক্রমেই বেড়ে চলেছে।ধর্ষণের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না নিজের মেয়েও।ধর্ষণকে অপরাধই মনে হচ্ছে না লম্পটদের কাছে । লম্পটদের লালসার শিকার হচ্ছে দেশের হাজারো নারীও শিশু ।এর জন্য আত্মহত্যার পথ বেচে নেয় অনেক কিশোরি।এবার ধর্ষনের শিকার হলেন পঞ্চম শ্রেণির ছোট শিশু।

পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ুয়া শিশুটি এখনো মায়ের আচঁল ধরে হাটে। স্কুলে যাওয়া আসার সময় কাধেঁর ব্যাগ বহন করতেও হাঁসপাসঁ অবস্থা। শিক্ষকের অসাধু লুলুপ দৃষ্টিতে এই শিশুটির পেটেই বড় হচ্ছে আরেকটি শিশু।
ঘটনাটি দিনাজপুরের নবাবগঞ্জের ভাদুরিয়া ইউনিয়নের। অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম রবিউল ইসলাম (২৩)। চিকিৎসকরা জানান, আগামী ২৭ জুন শিশুটির মা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

জানা যায়, মেয়েটি প্রতিবেশী রবিউল ইসলামের কাছে পড়তে যেত। একা পড়ানোর সুযোগ নিয়ে একদিন ভয়ভীতি দেখিয়ে গত সেপ্টেম্বরে প্রথম ধর্ষণ করা হয় তাকে। বিষয়টি কাউকে না জানানোর হুমকিও দেয় রবিউল।

পরে আবারও কয়েকবার মেয়েটিকে ধর্ষণ করা হয়। ভয়ে সে বিষয়টি কাউকে জানায়নি। গত বছরের ২৬ ডিসেম্বর হঠাৎ শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়ে। ওই সময় মায়ের কাছে ঘটনা খুলে বলে সে। পরে চিকিৎসকের পরামর্শে তার আলট্রাসনোগ্রাম করানো হলে সে চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে নিশ্চিত হয় পরিবার।

অভিযোগ করে পরিবার জানায়, কলেজ পড়ুয়া প্রতিবেশী তরুণ রবিউল ইসলামের কাছে পড়তে গিয়ে তাঁর কাছেই একাধিকবার ধর্ষণের শিকার হয় শিশুটি। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা গত ৭ জানুয়ারি নবাবগঞ্জ থানায় ওই তরুণের নামে মামলা করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শাহিন আলম তদন্ত শেষে গত ১৯ মার্চ রবিউলকে অভিযুক্ত করে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেন। মামলার পর রবিউল এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে।

ভোক্তাভোগী ১৩ বছর বয়সী ওই শিশুটির বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, শিশুটি পুষ্টিহীনতায় ভুগছে । হতদরিদ্র মা-বাবা পারছেন না তার চিকিৎসা করাতে। ভালোমন্দ জিজ্ঞাসা করতেই দুই চোখ বেয়ে পানি ঝরতে থাকে তার। শিশুটির মা বলেন, মেয়ে আমার সবসময় শুধু কাঁদে আর কাঁদে।

এমন ন্যক্কারজনক ঘটনাটি ঘটার পর লোকলজ্জায় বাড়ি থেকে বের হয় না শিশুটি। মেয়েটির স্কুলে যাওয়া বন্ধ হয়ে গেছে। গ্রামের সামাজিকতার কারণে প্রায় একঘরে হয়ে পড়েছে চাতাল শ্রমিকের এই পরিবারটি।তবে লম্পট শিক্ষক রবিউলকে এখনো গ্রেফতারের কোন নমুনা দেখা যায় নি ।এ ব্যপারে পুলিশ কোন মন্তব্য করেনি । গ্রামের মুরুব্বিরা এখনো শিক্ষক রবিউলের বিরুদ্দে কোন বিচার ডাকেনি।

সংবাদটি ফেজবুকে সেয়ার করুন

অামাদের সংবাদ সংক্রান্ত তর্থ্য

সকল প্রকাশিত/সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট ইত্যদি অনলাইনের নানা সূত্র থেকে সংগৃহীত। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ীনয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের এবং প্রকাশিত সূত্রের। অামাদের প্রকাশিত সংবাদে কোন অভিযোগ থাকলে অামাদের জানাতে পারেন।


© All rights reserved © ২০১৭-২০১৮ দৈনিক সময়. কম
Design & Developed BY দৈনিক সময়
[X]