জাতীয় সংবাদ

শাশুড়িকে ধর্ষণের দায়ে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি নেতা গ্রফতার…

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:শাশুড়ি মায়ের মতো, আর সেই শাশুড়িকে ধর্ষণ করা কতোটা ভয়ংকর মানসিক বৈকল্য এবং যৌন বিকৃতির বহিঃপ্রকাশ, সেটা সহজেই অনুমেয়। যুক্তরাষ্ট্রে শাশুড়িকে ধর্ষণের অভিযোগে জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের আটলান্টা প্রবাসী এক বাংলাদেশি (স্থানীয় বিএনপি নেতা) কে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠিয়েছে স্থানীয় পুলিশ। গ্রেপ্তার হওয়া মোহাম্মদ আলী ওরফে সজল খানের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন ও অপহরণের অভিযোগ আনা হয়েছে।

স্থানীয় গুনেইট কাউন্টির শেরিফ সূত্রে জানা যায়, জর্জিয়াস্থ লরেন্সভিল সিটির মোহাম্মদ আলী ওরফে সজল খান দীর্ঘদিন ধরে তার শাশুড়িকে ভয় ভীতি দেখিয়ে যৌন হয়রানি ও ধর্ষণ করে আসছিল। অতিষ্ঠ হয়ে পুলিশের নিকট অভিযোগ দায়ের করেন তার স্ত্রী। তার নামে ৪টি যৌন ও ১টি অপহরণ মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ মামালার প্রেক্ষিতে সজলকে গ্রেপ্তারের পর জেল হাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ। অদ্যাবদি তিনি কারাগারেই আছেন।

আরও পড়ুন নতুন ভাগ্য বিড়ম্বনার শিকার রোহিঙ্গারা: শুরু হচ্ছে আরেক তামাশা!
সজলের স্ত্রী নাজমুর আখতার নাজ স্থানীয় গণমাধ্যমেকে জানান, গত বছরের ১ সেপ্টেবর সে আমার মাকে ধর্ষণ করে। ওই সময়ে আমি বাসায় ছিলাম না। গত ৫ সেপ্টেম্বর আমি এ ব্যাপারে আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হই।

জর্জিয়া আটলান্টা প্রবাসীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শাশুড়িকে ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত মোহাম্মদ আলী ওরফে সজল খান জর্জিয়া বিএনপি ও জর্জিয়া বাংলাদেশ সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদকসহ স্থানীয় বেশ কয়েকটি বাংলাদেশি সংগঠনের সাথে জড়িত রয়েছেন। তবে তার এহেন কর্মকাণ্ডের ফলে বাংলাদেশি কমিউনিটির নেতৃবৃন্দরা তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। জর্জিয়া বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ রহমান আজাদ সংবাদকর্মীদের জানান, তার বিরুদ্ধে এ অভিযোগ বহুদিন আগের। এ ধরনের ঘটনা জানার পরই অর্থাৎ গত ১৮ সেপ্টেম্বর তাকে জর্জিয়া বিএনপি থেকে সাময়িকভাবে বহিস্কার করা হয়েছে। তার বহিস্কার নোটিশ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও প্রকাশ করেছি।

আরও পড়ুন সুগারড্যাডি শিক্ষকের লালসার শিকার কিশোরী!
জর্জিয়া বাংলাদেশ সমিতি কর্মকর্তারা এ ব্যাপারে এখনো মুখ খোলেন নি। যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হয়েছে তবে কারও সঙ্গে কথা হয়নি।

মোহাম্মদ আলী ওরফে সজল খানের দেশের বাড়ি নোয়াখালী জেলায়। তিনি ৬ বছরের একটি কন্যা সন্তানের জনক বলে জানা গেছে। তার বিরুদ্ধে আনীত নারী নির্যাতন ও অপহরণের অভিযোগ প্রমাণিত হলে দীর্ঘমেয়াদী কারাদণ্ড হতে পারে বলে ধারণা করছেন স্থানীয় আইনজীবীরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close