শুক্রবার, ২২ Jun ২০১৮, ০৯:৩০ পূর্বাহ্ন

বন্যায় ভাসছে খাগড়াছড়ি, পানিবন্দী ৬ হাজার পরিবার!

বন্যায় ভাসছে খাগড়াছড়ি, পানিবন্দী ৬ হাজার পরিবার!

ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়েছে খাগড়াছড়িবাসী। বর্ষণ অব্যাহত থাকায় খাগড়াছড়ির বন্যা পরিস্থিতি আরও অবনতি ঘটেছে। বন্যায় খাগড়াছড়ি শহরের অধিকাংশ এলাকা ও বিভিন্ন উপজেলার প্রধান বাজার ও এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে প্রায় ৬ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধসের কারণে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। পানিবন্দি লোকজনকে উদ্ধারে মাঠ পর্যায়ে কাজ করছে খাগড়াছড়ি রেডক্রিসেন্ট ইউনিট। লোকজনকে নিরাপদ জায়গায় আশ্রয় নিতে মাইকিং করছে প্রশাসন।

জানা গেছে, বিভিন্ন আশ্রয় শিবিরে এ পর্যন্ত ৫ শতাধিক পরিবার আশ্রয় নিয়েছে। পাহাড় ধসে মাটি চাপা পড়েছে বেশ কিছু কাচা ঘর-বাড়ি। বিভিন্ন সরকারী প্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকে গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র নষ্ট হয়ে গেছে। ভেসে গেছে শত শত পুকুরের মাছ। বর্ষণ অব্যাহত থাকায় চেঙ্গী, মাইনী ও ফেনীর নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বন্যা পরিস্থিতি আরও অবনতি হওয়ার আশংকা রয়েছে।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, খাগড়াছড়ি শহরের মুসলিমপাড়া, মেহেদীবাগ, শান্তিনগর, বাস টার্মিনাল, মিলনপুর, সবজি বাজার, গঞ্জপাড়া, রাজ্যমনি কার্বারি পাড়া, অর্পনা চৌধুরী পাড়া, আপার পেড়াছড়া পানির নীচে তলিয়ে গেছে।

অপরদিকে জেলার দীঘিনালা উপজেলার মেরুং ও কবাখালী বাজারের তিন শতাধিক ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান পানির নীচে তলিয়ে গেছে। সেই সাথে দুটি ইউনিয়নের ১০ গ্রামের ১হাজার পরিবার পানি বন্দি অবস্থায় রয়েছে। শতাধিক পরিবার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আশ্রয় নিয়েছে।

স্থানীয় সংসদ সদস্য কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা, জেলা প্রশাসক মো: রাশেদুল ইসলাম, পুলিশ সুপার আলী আহম্মেদ খাঁন, পৌর মেয়র মো: রফিকুল আলমসহ জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা দূর্গত এলাকা পরির্দশন করে ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন।

এদিকে পাহাড় ধ্বস ও পানিতে সড়ক ডুবে যাওয়ায় খাগড়াছড়ি-রাঙামাটি সড়ক ও দীঘিনালা-লংগদু সড়ক যোগাযোগ বিছিন্ন হয়ে গেছে। জেলার বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধসে বেশ কিছু কাচা ঘর-বাড়ী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ও হতাহতের কোন খবর এখনো পাওয়া যায়নি।

সংবাদটি ফেজবুকে সেয়ার করুন

অামাদের সংবাদ সংক্রান্ত তর্থ্য

সকল প্রকাশিত/সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট ইত্যদি অনলাইনের নানা সূত্র থেকে সংগৃহীত। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ীনয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের এবং প্রকাশিত সূত্রের। অামাদের প্রকাশিত সংবাদে কোন অভিযোগ থাকলে অামাদের জানাতে পারেন।


© All rights reserved © ২০১৭-২০১৮ দৈনিক সময়. কম
Design & Developed BY দৈনিক সময়
[X]