রবিবার, ২২ Jul ২০১৮, ০১:৩৭ পূর্বাহ্ন

কানাডার আকাশে মলমূত্রের বৃষ্টি থামছেই না

কানাডার আকাশে মলমূত্রের বৃষ্টি থামছেই না

কানাডার বিভিন্ন এলাকায় আকাশ থেকে মলমূত্র বর্ষিত হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনা অব্যাহত রয়েছে এক মাস ধরে। এ ব্যাপারে সরকার মুখ খুলছে না। কোনো সম্ভাব্য ব্যাখ্যাও পাওয়া যাচ্ছে না, জানিয়েছে আইএফএলসায়েন্স।

ঘটনাটি শুরু হয় মে মাসের ৯ তারিখে। কানাডার ব্রিটিশ কলাম্বিয়া এলাকায় গাড়িতে করে যাচ্ছিলেন এক নারী ও তার ছেলে। গাড়িটি ট্রাফিক সিগন্যালে থামার পর এর সানরুফ দিয়ে তরল মল পড়তে থাকে তাদের ওপর। এতে ভয় ও ঘৃণায় কেঁদে ফেলেন সুজান অ্যালান নামের ওই নারী। ভাবেন হয়তো তার গাড়ির ওপর কোনো পাখি বা বন্য জন্তু এসে বসেছে। কিন্তু ওপরের দিকে তাকিয়ে আকাশে একটি বিমান ছাড়া কিছুই দেখতে পাননি তিনি।

এ ঘটনার তিনদিন পর একই শহরের এক ব্যক্তি বাড়ি থেকে বের হয়ে দেখেন, তার গাড়ির ওপর তরল মলের বৃষ্টি হয়ে গেছে। ওই শহর থেকে ৩০০০ কিলোমিটার দূরে এক নারী নিজের বারান্দায় বসে ছিলেন। বিকেল ৪টার দিকে তার বারান্দা ও জানালায় বৃষ্টির মতো কালচে তরল মল বর্ষিত হয়।

লিন্ডা স্মিথ নামের ওই নারী সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘দেখে মনে হচ্ছিল একটা সেপটিক ট্যাঙ্ক ফেটে মলমূত্র ছড়িয়ে পড়েছে।’

এ পর্যন্ত কানাডার ১৮ জন বাসিন্দা এমন মলমূত্র বৃষ্টির অভিযোগ করেছেন। কিন্তু এর পেছনে কারণ কী?

কেউ দাবি করছেন, উড়ন্ত বিমান থেকে পড়ছে এসব মল। উড়ন্ত অবস্থায় বিমানের শৌচাগার খালি করার নিয়ম নেই। কিন্তু দুর্ঘটনা মাঝে মাঝে ঘটে। সেক্ষেত্রে সাধারণত মলমূত্র জমে বরফ হয়ে যায় এবং বিমানের গায়ের সাথেই লেগে থাকে। বিমানবন্দরে নামার সময়ে এসব বরফ গলে বৃষ্টির মত পড়তে পারে।

এসব ঘটনার অভিযোগ পাওয়ার পরেও সরকার থেকে কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। ট্রান্সপোর্ট কানাডা জানিয়েছে, এই ১৮ ঘটনার কোনোটিই বিমান থেকে পতিত বর্জ্য নয়।

এসব মলমূত্র পাখির বিষ্ঠা বলেও মানতে নারাজ বিশেষজ্ঞরা। অনেকগুলো পাখি মিলে একই সময়ে মলত্যাগ করেছে, তা প্রায় অসম্ভব। আর এ ঘটনা একাধিকবার ঘটাও সম্ভাব্য নয়। ওই মলের নমুনা সংগ্রহ করে তার ডিএনএ বিশ্লেষণ করে এই রহস্য সমাধানের চিন্তা করছেন বিজ্ঞানীরা।

সূত্রঃপ্রিয় ডট কম

সংবাদটি ফেজবুকে সেয়ার করুন

অামাদের সংবাদ সংক্রান্ত তর্থ্য

সকল প্রকাশিত/সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট ইত্যদি অনলাইনের নানা সূত্র থেকে সংগৃহীত। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ীনয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের এবং প্রকাশিত সূত্রের। অামাদের প্রকাশিত সংবাদে কোন অভিযোগ থাকলে অামাদের জানাতে পারেন।


© All rights reserved © ২০১৭-২০১৮ দৈনিক সময়. কম
Design & Developed BY দৈনিক সময়