মঙ্গলবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৮, ০২:০৭ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ
কলাপাড়ায় যাত্রীবাহী বাস পুকুরে পড়ে আহত ১৩…. হাদিসের গল্পঃ পাহাড়ের গুহায় আঁটকে পড়া তিন যুবক…. ফেনীতে সংখ্যালঘুরা হামলা বা নির্যাতনের স্বীকার হলে,নির্যাতন কারীদের জায়গা ফেনীর মাটিতে হবেনা-নিজাম উদ্দিন হাজারী এমপি…. ফেনী র‍্যাব-৭ এর একিদিন চালানো দুটি অভিযানে অস্ত্র গুলি ও মাদক উদ্ধার সহ আটক-৩…. কালীগঞ্জে বিপুল পরিমান ফেন্সিডিল ও পিকআপ ভ্যানসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক…. ঝিনাইদহে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১ জামায়াত কর্মীসহ ৫৮ জন গ্রেফতার…. রংপুর শহরে দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে পাঁচজন নিহত… চট্টগ্রামে বাস-ট্রেন সংঘর্ষে নিহত ২…. ফেনীর দাঘনভূঞাঁয় বিএনপি’র ৪০ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর মঞ্চ ভেঙ্গে গুটিয়ে দিয়েছে দূবৃর্ত্তরা… ফেনীর ছাগলনাইয়ায় মহামায়া ইউপি চেয়ারম্যানকে মারধরের অভিযোগে ২ জনকে আটক করেছে পুলিশ….
পাগলা মসজিদের সিন্দুকে এবার মিলল রেকর্ড পরিমাণ অর্থ ·

পাগলা মসজিদের সিন্দুকে এবার মিলল রেকর্ড পরিমাণ অর্থ ·

প্রতি চার মাস পরপর ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স খোলা হয়ে থাকলেও এ বারের সময়ের ব্যবধানটা একটু ভিন্ন। তিন মাসের ব্যবধানে মোট পাঁচটি লোহার সিন্দুক খুলে পাওয়া গেছে মোট ৮৮ লাখ ২৯ হাজার ১৭ টাকা।

শনিবার (৭ জুলাই) কিশোরগঞ্জ জেলা শহরের এই মসজিদে সকাল ৯টা হতে বিকেল ৫টা পর্যন্ত দীর্ঘ ৮ ঘন্টা টাকার গণনাকার্য চলে। শুধু টাকাই নয় সাথে বৈদেশিক মুদ্রাসহ বেশ কিছু স্বর্ণালঙ্কারও পাওয়া যায়।

মসজিদ কমিটি হতে প্রায় ১০০ জন মাদরাসাছাত্র ও প্রায় ৩০ জন ব্যাংক কর্মকর্তার উপস্থিতিতে টাকা গণনা কার্যক্রম চলে।

এর আগে গত ১৩ মে গভীর রাতে পাগলা মসজিদের দানবাক্স থেকে টাকা চুরির চেষ্টা করা হয়। চোরকে হাতে নাতে ধরতে না পারলে চুরিকৃত অর্থ ফেলে পালায় চোর।

চুরিকৃত অর্থ বাজেয়াপ্ত করার পর কিশোরগঞ্জ কালেক্টরেটের জ্যেষ্ঠ নির্বাহী হাকিম আবু তাহের মোহাম্মদ সাঈদের তত্ত্বাবধানে সকল অর্থ গণনা করা হয়। গণনা শেষে সেখানে ৮ লাখ ৪ হাজার ৯৮১ টাকা ও কিছু স্বর্ণালংকার পাওয়া যায়।

এর আগে গত ৩১ মার্চ মসজিদের চারটি দান বাক্স থেকে ৮৪ লাখ ৯২ হাজার ৪ টাকা পাওয়া যায়।

জেলা প্রশাসক ও মসজিদ কমিটির সভাপতি মো. সারোয়ার মোর্শেদ চৌধুরীর নেতৃত্বে জেলা প্রশাসনের ম্যাজিস্ট্রেটবৃন্দ, মসজিদ কমিটির সদস্যবৃন্দ, সাংবাদিকবৃন্দ এবং গণ্যমাণ্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে অর্থ গণনা কার্যক্রম সম্পাদনা করা হয়।

দেশের অন্যতম আয়কারী ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃত এ মসজিদের আয় দিয়ে কমপ্লেক্সের বিশাল ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। মানুষের দানের অর্থ মসজিদটির উন্নয়ন কাজে ব্যয় করা হয়। মসজিদের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন দেওয়া হয়।

এ মসজিদটির একটি এতিমখানা রয়েছে, সেখানে ছেলেমেয়েদের থাকা, খাওয়া, পোশাকসহ তাদের লেখাপড়ার যাবতীয় খরচ এখান থেকেই দেওয়া হয়। এ ছাড়াও বিভিন্ন এলাকার মসজিদের উন্নয়ন ও সংস্কার কাজেও অনুদান দেওয়া হয়। মসজিদটির তহবিল থেকে বিভিন্ন দরিদ্র অসহায় লোকদের আর্থিক সহযোগিতা করা, চিকিৎসা সহায়তার পাশাপাশি লেখাপড়া বা বিয়ের সময় আর্থিকভাবে দুর্বলকেও সহযোগিতা করা হয়।

পাগলা মসজিদের দানবাক্সের টাকা গণনা কার্যক্রম তদারকির দায়িত্বে থাকা জেলা প্রশাসনের জ্যেষ্ঠ নির্বাহী হাকিম আবু তাহের মো. সাঈদ এবার দানবাক্স খুলে ৮৮ লক্ষ ২৯ হাজার ১৭ টাকা পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, টাকাগুলো মসজিদে উপস্থিত কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের ম্যাজিস্ট্রেটবৃন্দ, সাংবাদিক, পুলিশ, মসজিদ কমিটি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে রূপালী ব্যাংকে জমা করা হয়েছে। আর যে স্বর্ণালংকার পাওয়া গেছে, তা আগের স্বর্ণালংকারের সঙ্গে যোগ করে একটি সিন্দুকে রেখে দেওয়া হবে।


সংবাদটি ফেজবুকে সেয়ার করুন


© All rights reserved © ২০১৭-২০১৮ দৈনিক সময়. কম
Design & Developed BY দৈনিক সময়
Translate »