বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০৭:০৬ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ
কলাপাড়ায় যাত্রীবাহী বাস পুকুরে পড়ে আহত ১৩…. হাদিসের গল্পঃ পাহাড়ের গুহায় আঁটকে পড়া তিন যুবক…. ফেনীতে সংখ্যালঘুরা হামলা বা নির্যাতনের স্বীকার হলে,নির্যাতন কারীদের জায়গা ফেনীর মাটিতে হবেনা-নিজাম উদ্দিন হাজারী এমপি…. ফেনী র‍্যাব-৭ এর একিদিন চালানো দুটি অভিযানে অস্ত্র গুলি ও মাদক উদ্ধার সহ আটক-৩…. কালীগঞ্জে বিপুল পরিমান ফেন্সিডিল ও পিকআপ ভ্যানসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক…. ঝিনাইদহে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১ জামায়াত কর্মীসহ ৫৮ জন গ্রেফতার…. রংপুর শহরে দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে পাঁচজন নিহত… চট্টগ্রামে বাস-ট্রেন সংঘর্ষে নিহত ২…. ফেনীর দাঘনভূঞাঁয় বিএনপি’র ৪০ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর মঞ্চ ভেঙ্গে গুটিয়ে দিয়েছে দূবৃর্ত্তরা… ফেনীর ছাগলনাইয়ায় মহামায়া ইউপি চেয়ারম্যানকে মারধরের অভিযোগে ২ জনকে আটক করেছে পুলিশ….
হাজার হাজার সেনার জীবন বাঁচাতে নজিরবিহীন আবিষ্কার কিশোরের

হাজার হাজার সেনার জীবন বাঁচাতে নজিরবিহীন আবিষ্কার কিশোরের

বিশ্ব জুড়ে মজুত রয়েছে প্রচুর অস্ত্র। বাড়ছে বারুদ। যুদ্ধক্ষেত্রে যাচ্ছে প্রাণ। কিন্তু ভারতের এক বছর পনেরোর কিশোর চায় শান্তি। মৃত্যু নয়, বিশ্বকে সুন্দর করে তোলাই তার লক্ষ্য। আর তার জন্য নিরন্তর চেষ্টা চালাচ্ছে নিজের গবেষণা কক্ষে।

আমেদাবাদের কিশোর হর্ষবর্ধন জালার নাম এর আগেও উঠে এসেছে খবরের শিরোনামে। কখনই সে ড্রোন বানিয়েছে, আবার কখনও বানিয়েছে রিমোট কন্ট্রোল। আর পাঁচটা কিশোরের থেকে একটু আলাদা সে। ইতিমধ্যেই Aerobotics7 Tech Solutions নামে একটা সংস্থার কর্ণধারও বটে। এবার সেনাবাহিনীকে আঘাত থেকে রক্ষা করতে এক বিশেষ প্রযুক্তি নিয়ে আসছে হর্ষবর্ধন। তার নয়া প্রযুক্তিতে ড্রোন চিহ্নিত করবে লুকিয়ে রাখা ল্যান্ডমাইন। পাশাপাশি সেই ল্যান্ডমাইন নিষ্ক্রিয়ও করা যাবে ওই ড্রোনের মাধ্যমে।

হর্ষবর্ধন বলে, ‘জানেন, বিশ্ব জুড়ে ১০০ মিলিয়ন সক্রিয় ল্যান্ডমাইন রয়েছে? পৃথিবীর হাজার হাজার প্রাণ রক্ষা করতে আমি এক বিশেষ প্রযুক্তি আনছি, আর এটাই শুরু।’

বাবা পেশায় অ্যাকাউন্ট্যান্ট আর মা হোমমেকার। মাত্র ১০ বছর বয়সেই এক বিশেষ আবিষ্কারে সবাইকে তা লাগিয়ে দিয়েছিল সে। এক বিশেষ রিমোট কন্ট্রোল তৈরি করেছি হর্ষবর্ধন। সেইসময় বাজারে ওই ধরনের ডিভাইস ছিল না। তার বাবা-মা’ও সেইসময় বুঝে গিয়েছিলেন যে তাঁদের ছেলে সাধারণ নন। এরপর থেকে ছেলেকে আরও বেশি করে উৎসাহ দিতে শুরু করেন তাঁরা।

এরপর কি তৈরি করবে সে? তা নিয়ে পড়াশোনা চালাচ্ছিল হর্ষবর্ধন। বিশ্বের নানা ধরনের সমস্যার বিষয়ে জানার জন্য বই পড়তে শুরু করে সে। গুগল, ইউটিউব ঘেঁটে বের করে, এই মুহূর্তের বিশ্বের উপকারে লাগে এমন কোন জিনিসটা দরকার। একদিন একটি ভিডিও দেখে সে চমকে যায়। ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণে কীভাবে মানুষ মরছে, সেই দৃশ্য নাড়া দেয় হর্ষবর্ধনের কিশোর হৃদয়ে। এরপরই শুরু হয় গবেষণা। অনেক ভেবেও কোনও উপায় বেরচ্ছিল না।

বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে কথা বলা শুরু করে সে। ১২টি কোম্পানির দ্বারস্থ হয়েও কোনও লাভ হয়নি। এরপরই নিজের কোম্পানি তৈরি করে কাজ শুরু করে সে। বছর দুয়েকের মধ্যেই তৈরি করে ড্রোন। সেই ড্রোনই খুঁজে দেবে ল্যান্ডমাইন। যুদ্ধক্ষেত্রে গিয়ে ওই ড্রোন খতিয়ে দেখে আসবে মাটি। বিপদ সংকেত পেলেই খবর পাঠাবে কাছাকাছি থাকা আর্মি বেসে। ড্রোনেই থাকবে একটি ডিটোনেটর, যা প্রয়োজনে সক্রিয় করে দেওয়া যাবে। তার জন্য কোনও মানুষের ক্ষতি হবে না।

বর্তমানে ভারতীয় সেনা ও সিআরপিএফের সঙ্গে কাজ করছে হর্ষবর্ধন। দেশের সব ল্যান্ডমাইন খুঁজে বের করে পরিষ্কার করবে সে। আর সেটা সফল হলে তবেই সে ওই প্রযুক্তি বিশ্বের সামনে নিয়ে আসবে।

সববিশ্ব জুড়ে মজুত রয়েছে প্রচুর অস্ত্র। বাড়ছে বারুদ। যুদ্ধক্ষেত্রে যাচ্ছে প্রাণ। কিন্তু ভারতের এক বছর পনেরোর কিশোর চায় শান্তি। মৃত্যু নয়, বিশ্বকে সুন্দর করে তোলাই তার লক্ষ্য। আর তার জন্য নিরন্তর চেষ্টা চালাচ্ছে নিজের গবেষণা কক্ষে।

আমেদাবাদের কিশোর হর্ষবর্ধন জালার নাম এর আগেও উঠে এসেছে খবরের শিরোনামে। কখনই সে ড্রোন বানিয়েছে, আবার কখনও বানিয়েছে রিমোট কন্ট্রোল। আর পাঁচটা কিশোরের থেকে একটু আলাদা সে। ইতিমধ্যেই Aerobotics7 Tech Solutions নামে একটা সংস্থার কর্ণধারও বটে। এবার সেনাবাহিনীকে আঘাত থেকে রক্ষা করতে এক বিশেষ প্রযুক্তি নিয়ে আসছে হর্ষবর্ধন। তার নয়া প্রযুক্তিতে ড্রোন চিহ্নিত করবে লুকিয়ে রাখা ল্যান্ডমাইন। পাশাপাশি সেই ল্যান্ডমাইন নিষ্ক্রিয়ও করা যাবে ওই ড্রোনের মাধ্যমে।

হর্ষবর্ধন বলে, ‘জানেন, বিশ্ব জুড়ে ১০০ মিলিয়ন সক্রিয় ল্যান্ডমাইন রয়েছে? পৃথিবীর হাজার হাজার প্রাণ রক্ষা করতে আমি এক বিশেষ প্রযুক্তি আনছি, আর এটাই শুরু।’

বাবা পেশায় অ্যাকাউন্ট্যান্ট আর মা হোমমেকার। মাত্র ১০ বছর বয়সেই এক বিশেষ আবিষ্কারে সবাইকে তা লাগিয়ে দিয়েছিল সে। এক বিশেষ রিমোট কন্ট্রোল তৈরি করেছি হর্ষবর্ধন। সেইসময় বাজারে ওই ধরনের ডিভাইস ছিল না। তার বাবা-মা’ও সেইসময় বুঝে গিয়েছিলেন যে তাঁদের ছেলে সাধারণ নন। এরপর থেকে ছেলেকে আরও বেশি করে উৎসাহ দিতে শুরু করেন তাঁরা।

এরপর কি তৈরি করবে সে? তা নিয়ে পড়াশোনা চালাচ্ছিল হর্ষবর্ধন। বিশ্বের নানা ধরনের সমস্যার বিষয়ে জানার জন্য বই পড়তে শুরু করে সে। গুগল, ইউটিউব ঘেঁটে বের করে, এই মুহূর্তের বিশ্বের উপকারে লাগে এমন কোন জিনিসটা দরকার। একদিন একটি ভিডিও দেখে সে চমকে যায়। ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণে কীভাবে মানুষ মরছে, সেই দৃশ্য নাড়া দেয় হর্ষবর্ধনের কিশোর হৃদয়ে। এরপরই শুরু হয় গবেষণা। অনেক ভেবেও কোনও উপায় বেরচ্ছিল না।

বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে কথা বলা শুরু করে সে। ১২টি কোম্পানির দ্বারস্থ হয়েও কোনও লাভ হয়নি। এরপরই নিজের কোম্পানি তৈরি করে কাজ শুরু করে সে। বছর দুয়েকের মধ্যেই তৈরি করে ড্রোন। সেই ড্রোনই খুঁজে দেবে ল্যান্ডমাইন। যুদ্ধক্ষেত্রে গিয়ে ওই ড্রোন খতিয়ে দেখে আসবে মাটি। বিপদ সংকেত পেলেই খবর পাঠাবে কাছাকাছি থাকা আর্মি বেসে। ড্রোনেই থাকবে একটি ডিটোনেটর, যা প্রয়োজনে সক্রিয় করে দেওয়া যাবে। তার জন্য কোনও মানুষের ক্ষতি হবে না।

বর্তমানে ভারতীয় সেনা ও সিআরপিএফের সঙ্গে কাজ করছে হর্ষবর্ধন। দেশের সব ল্যান্ডমাইন খুঁজে বের করে পরিষ্কার করবে সে। আর সেটা সফল হলে তবেই সে ওই প্রযুক্তি বিশ্বের সামনে নিয়ে আসবে।


সংবাদটি ফেজবুকে সেয়ার করুন

অামাদের সংবাদ সংক্রান্ত তর্থ্য

সকল প্রকাশিত/সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট ইত্যদি অনলাইনের নানা সূত্র থেকে সংগৃহীত। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ীনয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের এবং প্রকাশিত সূত্রের। অামাদের প্রকাশিত সংবাদে কোন অভিযোগ থাকলে অামাদের জানাতে পারেন।



© All rights reserved © ২০১৭-২০১৮ দৈনিক সময়. কম
Design & Developed BY দৈনিক সময়
Translate »