রবিবার, ২২ Jul ২০১৮, ০১:৩৭ পূর্বাহ্ন

এটিএম-এ সাবধান! সামান্য ভুলে কী ভাবে ঠকলেন অসহায় বৃদ্ধ

এটিএম-এ সাবধান! সামান্য ভুলে কী ভাবে ঠকলেন অসহায় বৃদ্ধ

ওই বৃদ্ধ ভাবতেও পারেননি কত বড় প্রতারকের পাল্লায় পড়েছেন তিনি।অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ননীগোপাল মণ্ডল। এটিএম-এ নিরাপত্তারক্ষী না থাকায় টাকা তুলতে গিয়ে প্রতারিত হলেন অশীতিপর বৃদ্ধ। ব্যাঙ্ক কর্মী পরিচয় দিয়ে বৃদ্ধের এটিএম দিয়ে ৮৬ হাজার টাকা তুলে নিল প্রতারক।
মহিষাদল থানার অন্তর্গত লক্ষ্যা গ্রামের বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক ননীগোপাল মণ্ডল গত ৪ জুন মহিষাদলে স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার এটিএম-এ পেনশনের টাকা তুলতে যান। ননীগোপালবাবু জানান, সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ তিনি এটিএম-এ যান। বয়সজনিত কারণে দৃষ্টিশক্তি ভাল নয় তাঁর। তাই প্রতি বারই তিনি নিরাপত্তারক্ষীর মাধ্যমে টাকা তোলেন। সেদিনও তিনি টাকা তুলতে যান। এটিএমের মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকা একটি লোক জানায়, সে ব্যাঙ্কের কর্মী। ননীগোপালবাবু তাঁর এটিএম কার্ডটি তাকে দেন। ওই ব্যক্তি দু’বার চেষ্টা করার পরে ননীগোপালবাবুকে এটিএম কার্ড ফিরিয়ে দিয়ে বলে, টাকা তোলা যাচ্ছে না। তিনি বরং ব্যাঙ্কের ভিতরে গিয়ে কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানান।

এর পরই চমকে যান ননীগোপালবাবু। ব্যাঙ্কে বই আপ টু ডেট করে তিনি দেখেন পাঁচ দফায় ৮৬ হাজার টাকা তোলা হয়েছে। তিনি সঙ্গে সঙ্গে স্টেট ব্যাঙ্কের মহিষাদল শাখার ম্যানেজারের সঙ্গে দেখা করে বিষয়টি জানান। মহিষাদল থানাতেও অভিযোগ দায়ের করেন। ব্যাঙ্ক ম্যানেজার সম্পূর্ণ তথ্য বের করেন জানান, অমল পাল নামে এক ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে টাকাটি ট্রান্সফার হয়েছে। তিনি সঙ্গে সঙ্গে ননীগোপালবাবুর অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেন। ওই অমল পাল নামের ব্যক্তি যে এটিএম কার্ডটি তাঁকে দেন, সেটি মোটেই তাঁর এটিএম কার্ড নয়! সেটি জনৈক মিলি দাসের। ওই কার্ড দিয়ে তাঁর কাছ থেকে নিয়ে নেওয়া হয় তাঁর এটিএম কার্ড। সেই কার্ড দিয়েই তোলা হয় টাকা।

ব্যাঙ্ক থেকে পাওয়া সম্পূর্ণ তথ্য তিনি মহিষাদল থানায় জমা দেন। ব্যাঙ্কগুলি প্রতিনিয়ত সচেতন করছে গ্রাহকদের, তবুও প্রায়ই নানা ভাবে প্রতারিত হতে হচ্ছে গ্রাহকদের।

সূত্রঃএবেলা

সংবাদটি ফেজবুকে সেয়ার করুন

অামাদের সংবাদ সংক্রান্ত তর্থ্য

সকল প্রকাশিত/সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট ইত্যদি অনলাইনের নানা সূত্র থেকে সংগৃহীত। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ীনয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের এবং প্রকাশিত সূত্রের। অামাদের প্রকাশিত সংবাদে কোন অভিযোগ থাকলে অামাদের জানাতে পারেন।


© All rights reserved © ২০১৭-২০১৮ দৈনিক সময়. কম
Design & Developed BY দৈনিক সময়