রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০৪:১৭ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ
কলাপাড়ায় যাত্রীবাহী বাস পুকুরে পড়ে আহত ১৩…. হাদিসের গল্পঃ পাহাড়ের গুহায় আঁটকে পড়া তিন যুবক…. ফেনীতে সংখ্যালঘুরা হামলা বা নির্যাতনের স্বীকার হলে,নির্যাতন কারীদের জায়গা ফেনীর মাটিতে হবেনা-নিজাম উদ্দিন হাজারী এমপি…. ফেনী র‍্যাব-৭ এর একিদিন চালানো দুটি অভিযানে অস্ত্র গুলি ও মাদক উদ্ধার সহ আটক-৩…. কালীগঞ্জে বিপুল পরিমান ফেন্সিডিল ও পিকআপ ভ্যানসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক…. ঝিনাইদহে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১ জামায়াত কর্মীসহ ৫৮ জন গ্রেফতার…. রংপুর শহরে দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে পাঁচজন নিহত… চট্টগ্রামে বাস-ট্রেন সংঘর্ষে নিহত ২…. ফেনীর দাঘনভূঞাঁয় বিএনপি’র ৪০ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর মঞ্চ ভেঙ্গে গুটিয়ে দিয়েছে দূবৃর্ত্তরা… ফেনীর ছাগলনাইয়ায় মহামায়া ইউপি চেয়ারম্যানকে মারধরের অভিযোগে ২ জনকে আটক করেছে পুলিশ….
জীবন নাশের শঙ্কা, তবুও ঝুঁকি উদ্ধার অব্যাহত?

জীবন নাশের শঙ্কা, তবুও ঝুঁকি উদ্ধার অব্যাহত?

থাইল্যান্ডে গুহায় আটকে পড়া ১২ কিশোর ফুটবলার এবং তাদের কোচের মধ্যে বেশ কয়েকজন গতকাল বের হয়ে আসে। দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে তারা আটকে পড়ে ছিল। গতকাল স্থানীয় সময় সকাল থেকে তাদের বের করে আনার অভিযান শুরু হয়। গুহাটি সাপের মতো এমনভাবে প্যাঁচানো এবং এর ভেতরে এত ফাটল আছে, যা উদ্ধারকারীদের জন্য যেকোনো সময় বিপদ ডেকে আনতে পারে।

থাম লুয়াং নামের এই গুহার কোথাও কোথাও ১০ মিটার পর্যন্ত উঁচু, কোথাও কোথাও অত্যন্ত সরু আবার কোথাও কোথাও সেটি পানিতে পূর্ণ হয়ে আছে। গুহাটির ভেতর থেকে বাচ্চাদের বের করে আনার কাজটা কতটা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে সেটা অনেক বেশি স্পষ্ট হয়ে ওঠে একজন উদ্ধারকারী ডুবুরির মৃত্যুর ঘটনায়।

শুরুর দিকে অনেকে বলেছেন, উদ্ধারকাজ শেষ হতে কয়েক মাস পর্যন্ত লেগে যাতে পারে। কারণ হয় বাচ্চাদের ডাইভ করা শেখাতে হবে অথবা গুহার ভেতর থেকে পানি সরে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হবে, কিংবা ভেতর থেকে সব পানি বাইরে পাম্প করে ফেলে দিতে হবে।

কোনো কোনো উদ্ধারকাজ বিশেষজ্ঞের মতে, এই ডাইভিং অপশন বাচ্চাদের জন্য খুব বিপজ্জনকও হতে পারে। কিন্তু ব্রিটেনে যাঁরা ডাইভ বিশেষজ্ঞ আছেন তাঁরা বলছেন, আরো বৃষ্টিপাতের আগেই বাচ্চাদের সেখান থেকে বের করে আনতে হবে। কেননা বৃষ্টি বেড়ে গেলে গুহার ভেতরে আরো পানি বেড়ে যাবে আর তখন বাচ্চাদের সেখান থেকে বের করে আনা খুব কঠিন হয়ে পড়বে।

উদ্ধার অভিযান শুরুর আগে কেভ ডাইভিং গ্রুপের চেয়ারম্যান মার্টিন গ্রাস বলেছেন, বাচ্চাদের পুরো মুখের মাস্ক, সাঁতার কাটার জন্য হালকা কাপড়চোপড় দিতে হবে। তাদের শেখাতে হবে কিভাবে ডাইভিং ফ্লিপার বা ফিন্স ব্যবহার করতে হয়। অনেকেই প্রশ্ন করছেন, বাচ্চারা এত ছোট, তারা কি তাদের সঙ্গে বাতাসের ডাইভিং বোতল বহন করতে পারবে? গ্রাস বলছেন, এটা নির্ভর করছে বাচ্চাদের শরীর কতটা বড় তার ওপর। তিনি বলছেন, বাচ্চারা না পারলে উদ্ধারকারী ডুবুরি তার পাশাপাশি সাঁতার কাটার সময় এটি বহন করতে পারেন।

গ্রাস বলেন, ‘এখানে একটা বাড়তি সুবিধা হচ্ছে যে বাচ্চারা খুব কম বয়সের। কেউ যখন ছোট থাকে তারা এ ধরনের জিনিসকে অ্যাডভেঞ্চার হিসেবে নেয়। বাচ্চারা হয়তো পানির নিচে একটানা ১০ থেকে ১৫ মিনিট থাকতে পারবে। তাই দেখতে হবে গুহার কোথায় কোথায় কতটুকু রাস্তা পানিতে ডুবে গেছে।’

গ্রাসের অভিমত হলো, বাচ্চাদের যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সেখান থেকে বের করে আনা। তিনি বলেন, ‘বর্ষাকাল যখন আসছে, তখন কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারবে না যে আসলে পানির উচ্চতা আরো কতটা বেড়ে যেতে পারে।’

উদ্বেগ ছিল বহুমুখী

আটকে পড়া বাচ্চাদের বয়স ১১ থেকে ১৬। তাদের কোচের বয়স ২৫। তারা সেখানে আছে পাথরের তৈরি সংকীর্ণ একটি জায়গায়। সেখানকার পরিবেশ ভেজা। হাইপোথারমিয়ার ঝুঁকি থেকে নিজেদের রক্ষা করতে তাদের শুষ্ক ও উষ্ণ রাখতে হবে। ওপর থেকে পাথর পড়ার ঝুঁকিও আছে। তবে সবচেয়ে বড় উদ্বেগ হচ্ছে পানির স্তর বেড়ে যাওয়া। ঝড়বৃষ্টির কারণে পরিস্থিতি আরো জটিল হয়ে যেতে পারে। প্রবেশ মুখের কাছে পানি বেড়ে গেলে বন্ধ হয়ে যেতে পারে ভেতরে বাতাসের সরবরাহ। বাচ্চারা যেখানে আছে সেখানে অক্সিজেনের মাত্রা নিয়েও আছে উদ্বেগ।

কর্মকর্তারা বলছেন, সেখানকার বাতাসে অক্সিজেনের মাত্রা ২১ শতাংশ থেকে ১৫ শতাংশে নেমে গেছে। উদ্ধারকারীরা এরই মধ্যে তাদের কাছে অক্সিজেনের ১০০টি ট্যাংক পৌঁছে দিয়েছেন।

Source : BDMorning Desk


সংবাদটি ফেজবুকে সেয়ার করুন

অামাদের সংবাদ সংক্রান্ত তর্থ্য

সকল প্রকাশিত/সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট ইত্যদি অনলাইনের নানা সূত্র থেকে সংগৃহীত। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ীনয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের এবং প্রকাশিত সূত্রের। অামাদের প্রকাশিত সংবাদে কোন অভিযোগ থাকলে অামাদের জানাতে পারেন।



© All rights reserved © ২০১৭-২০১৮ দৈনিক সময়. কম
Design & Developed BY দৈনিক সময়
Translate »