বৃহস্পতিবার, ১৬ অগাস্ট ২০১৮, ০৬:১৫ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ
জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুর ৪৩ তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে ব্যাতিক্রমধর্মী শোক দিবস পালন করেছে ফেনী জেলা পুলিশ সুপার… রাজশাহীতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস দোকানে, স্কুলছাত্রীসহ প্রাণ গেল ২ জনের.. ঝিনাইদহ লাউদিয়া গ্রামের এক পরিবারের তিন শিশুকে যৌন নিপীড়ন…. ঝিনাইদহ জেলা রিপেটার্স ইউনিটি ও এনপিএস’র জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা শেষে শহর জুড়ে মটরসাইকেল র‌্যালি…. ভাটই বাজারে স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়ে বসবাস করা কথিক সাংবাদিক দম্পতি লিটন মিয়া ও আনোয়ারা পারভিন হ্যাপী এবার মহা গ্যাড়াকল…. ফেনী শহরে নিখোঁজের চার ঘণ্টা পর ডোবা থেকে শিশুর মীমের লাশ উদ্ধার… ঢাকায় ইলিশের কেজি মাত্র ৪০০ টাকা! মোবাইল ফোনে নতুন কলচার্জ নিয়ে যা বলছেন গ্রাহক… হরিণাকুন্ডুতে চাঁদাবাজী করতে গিয়ে দুই ভুয়া সাংবাদিক গ্রেফতার…. সিম ছাড়াই কল করা যাবে ফোনে….
loading...
মূল্যবান সেই ফ্ল্যাটগুলোতে এখন কেউ থাকতে চায় না

মূল্যবান সেই ফ্ল্যাটগুলোতে এখন কেউ থাকতে চায় না

loading...

বায়েজিদ থানার শেরশাহ সরকারি কলোনি এখন অস্তিত্ব হারাতে বসেছে। কলোনির ১৮০টি ফ্ল্যাটের ৩২টি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। যে বাসা বরাদ্ধের জন্য হাজার হাজার টাকা লেনদেন হত সেই বাসায় এখন কেউ থাকতে চান না। এর একমাত্র কারণ বাসাগুলো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। মূলত কলোনির সবকটি ভবনই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। কখনো মাঝারি ভূমিকম্প আঘাত করলে ভয়াবহ পরিণতির আশংকা রয়েছে। জানা যায়, ১৯৭০ সালে সরকারি কর্মচারীদের বসবাসের জন্য শেরশাহ এলাকায় গণপূর্ত বিভাগের অধীনে চারতলা বিশিষ্ট ছয়টি ভবনে ৮৪টি ফ্ল্যাট তৈরি করে। স্বাধীনতার পর বাসাগুলো সরকারি কর্মচারীদের বরাদ্ধ দেয়া হয়। পরবর্তীতে ১৯৮২ সালের পর ছয়তলা বিশিষ্ট আরো চারটি ভবনে ৯৬টি ফ্ল্যাট তৈরি করে নির্মাণ করে যথারীতি বরাদ্ধ দেয়া হয়। প্রথমে ভবনগুলো গণপূর্ত বিভাগ থেকে বরাদ্ধ দেয়া হত। পরবর্তীতে আবাসনের মাধ্যমে জেলা প্রশাসক বরাদ্ধ দিচ্ছেন।
সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায় কলোনির সবকটি ভবনের পলেস্তারা খসে খসে পড়ছে। বছরে ৩/৪টি করে ভবন সংস্কার করা হয়। তাও আবার দায়সারা গোছের। ফলে যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ক্রমশ ভবনগুলো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।
শেরশাহ সরকারি কলোনি কর্মচারী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী জানান, ছয়তলা বিশিষ্ট ১ নং ভবনের ৬টা, ছয়তলা ২ নং ভবনের ৬টা, ছয়তলা ৩ নং ভবনের ৪টা, ছয়তলা ৪ নং ভবনের ১০টি ফ্ল্যাট, দিঘির পূর্বপাড়ের ৪ তলা ৩টি ভবনের ৬টি ফ্ল্যাট এখন খালি। ফ্ল্যাটগুলোর অবস্থা এমন খারাপ হয়ে গেছে যে কেউ বরাদ্ধ নিচ্ছেন না। তিনি বলেন, এব্যাপারে গণপূর্ত দপ্তরকে বেশ কয়েকটি পত্র প্রদান করা হয়েছে। কিন্তু কার্যকর কোন পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। তিনি এব্যাপারে অবিলম্বে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এব্যাপারে দায়িত্বপ্রাপ্ত গণপূর্ত বিভাগ-১ এর উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী রাহুল গুহ’র সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ভবনগুলো আমরা সার্ভে করেছি। বিশেষ করে কলোনির ছয়তলা ভবনগুলোর অবস্থা খুবই খারাপ। ১ নম্বর ও ২ নম্বর ভনের পিলারগুলো নষ্ট হয়ে গেছে। এজন্য মেসিভ সংস্কার অথবা ভবনগুলো ভেঙে নতুন ২০ তলা ভবন নির্মাণের চিন্তাভাবনা চলছে। এব্যাপারে গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনকেও জানানো হয়েছে।

সূত্র: দৈনিক পূর্বকোণ

সংবাদটি ফেজবুকে সেয়ার করুন
loading...

অামাদের সংবাদ সংক্রান্ত তর্থ্য

সকল প্রকাশিত/সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট ইত্যদি অনলাইনের নানা সূত্র থেকে সংগৃহীত। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ীনয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের এবং প্রকাশিত সূত্রের। অামাদের প্রকাশিত সংবাদে কোন অভিযোগ থাকলে অামাদের জানাতে পারেন।


© All rights reserved © ২০১৭-২০১৮ দৈনিক সময়. কম
Design & Developed BY দৈনিক সময়