মঙ্গলবার, ১৫ জুন ২০২১, ১০:৩৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষঃ
৪৭ বছর বয়স হতে কেন মানুষ নিজেকে বৃদ্ধ ভাবতে শুরু করে? ফেনীতে করোনা উপসর্গ নিয়ে একের পর এক মৃ’ত্যু এবার নতুন করে এলাকাভিত্তিক লকডাউনের চিন্তা করছে সরকার হঠাৎ রক্তচোষা পোকার আতঙ্ক, আক্রান্ত ২৫ হাজারের বেশি, কম পড়েছে ভ্যাকসিন যুবলীগ নেতার হাতে অমানবিক নির্যাতনের শিকার বৃদ্ধ, ভিডিও ভাইরাল জায়েদ খানকে কয়জন চেনে? কড়া জবাব দিলেন হিরো আলম চুমাচুমি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়- কেন এমন নাম? যুক্তরাষ্ট্রে চলছে বিক্ষোভ সেনাবাহিনীকে প্রস্তুত থাকতে বললেন ট্রাম্প যুক্তরাজ্যের এই প্রথম হিজাবি বিচারক :রাফিয়া আরশাদ আমার শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত একটা টাকাও হারাম খেতে চাই না: এসপি ফরিদ উদ্দীন

টানা ৯ বছর ধরে কারাগারে আটকে রেখে ধ’র্ষন করা হয়েছিল কোরআনের হাফেজা আফিয়া সিদ্দিকীকে

দৈনিক সময়:
                                               
  •   প্রকাশিত : ০১:৪৮ pm | রবিবার ১৭ মে, ২০২০
  • ৯৮৫ বার পঠিত
টানা ৯ বছর ধরে কারাগারে আটকে রেখে ধ'র্ষন করা হয়েছিল কোরআনের হাফেজা আফিয়া সিদ্দিকীকে
টানা ৯ বছর ধরে কারাগারে আটকে রেখে ধ'র্ষন করা হয়েছিল কোরআনের হাফেজা আফিয়া সিদ্দিকীকে

দৈনিক সময়:টানা ৯ বছর ধরে কারাগারে আটকে রেখে ধ’র্ষন করা হয়েছিল কোরআনের হাফেজা আফিয়া সিদ্দিকীকাকে ।ড.আফিয়া সিদ্দিকী যিনি করাচীর সম্ভ্রান্ত ও উচ্চ শিক্ষিত পরিবারে ১৯৭২ সালের ২ মার্চ জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন বিখ্যাত একজন মুসলিম স্নায়ুবিজ্ঞানী এবং একজন আলোচিত মহিলা।আফিয়া সিদ্দিকা যিনি ছিলেন নিউরো সাইন্টিস্ট,

যিনি ছিলেন একজন পি.এইচ.ডি. হোল্ডার এবং যিনি ছিলেন একজন কোরআনের হাফেজা যার বুকে ধারন করেছিলেন পবিত্র কোরআনের ত্রিশটি পারা।

শিক্ষাগত যোগ্যতা:জন্ম সূত্র অনূসারে এই উচ্চ শিক্ষিত নারী পাকিস্তানের নাগরিক। শিক্ষা জীবনে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ডিগ্রী ধারী (পিএইচডি) লাভ করেন।স্বনামধন্য এই স্নায়ুবিজ্ঞানী শিক্ষা জীবনে অসামান্য মেধার পরিচয় দেন। যুক্তরাষ্ট্রের ব্রন্ডেইস হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় তাকে “নিউরোলজি” বিষয়ে ডক্টরেট ডিগ্রী প্রদান করে।

এছাড়াও সম্মান সূচক ও অন্যান্য ডিগ্রীর ১৪০ টিরও বেশি সার্টিফিকেট তিনি অর্জন করেছেন। তিনি “হাফিযে কোর’আন” ও “আলিমা”।
শিক্ষা লাভের পর তিনি ২০০২ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রেই বসবাস করেন ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকুরি করতেন। সহকর্মীরা তাকে অত্যন্ত ভদ্র, নম্র ও বিনয়ী হিসেবে পরিচয় দেন।

গ্রেফতার ও অপহরণ:পিএইচডি ডিগ্রি ধারী এই মহিলাকে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই ২০০৩ সালে পাকিস্তানী কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় আল কায়েদার সাথে যোগাযোগ থাকার অ’ভিযোগে পাকিস্তানের করাচির রাস্তা থেকে তার তিন সন্তানসহ গ্রে’ফতার করে।
পরে প্রচলিত আইনের আওতায় না এনে পাকিস্তানের কারাগারে গ্রে’ফতার না রেখেই

তাকে আফগানিস্তানের সামরিক ঘাঁটিতে তাকে ৫ বছর ব’ন্দি করে রাখা হয়।মার্কিন আদালত তাকে ৮৬ বছর কারাদন্ড দেয়। বন্দি অবস্থায় তার ওপর ব্যাপক অমানবিক নি’র্যাতনের অভিযোগ চলেছে।পরে পাকিস্তানে কোনো বিচার কার্য না করেই সরাসরি আফগানিস্তানে নিয়ে গেলে পাকিস্তান সরকার ব্যাপক সমালোচনার

সম্মুখীন হয়।এবং তাকে অপহরনের অভিযোগ ওঠে। তৎকালীন সরকারের এতে হাত রয়েছে বলে মনেকরা হয়।গ্রেফতারের অভিযোগ ও বন্দী জীবন :আল-কায়দার সাথে যোগাযোগ থাকার অ’ভিযোগে তাকে গ্রে’ফতার করা হয় তিন সন্তান আহমদ, সুলাইমান ও মারিয়মকে সহ।

আফগানিস্তানে বন্দি রাখা কালে তার ওপর অমানবিক নি`র্যাতন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।তাকে মানসিক, যৌন ও শারীরিকভাবে নি`র্যাতন করা হত এবং তাকে দিনের মধ্য কয়েকবার করে ধ`র্ষন করা হয়েছে, নগ্ন করে কোরআনের উপর হাটিয়েছে

বলেও অভিযোগ করা হয়।বাগরাম কারাগার থেকে মুক্তি প্রাপ্ত বন্দিরা অভিযোগ করেছে “নি`র্যাতনের সময়ে আফিয়ার আত্ন-চিৎকার অন্য বন্দির পক্ষে সহ্য করাও কঠিন ছিলো।” ওই নারীর ওপর নি`র্যাতন বন্ধ করার জন্য অন্য বন্দীরা অনশন পর্যন্ত করেছিলো।
এই আফিয়া সিদ্দিকাই কিডন্যাপ হয়েছিল

২০০৩ সালে যার স্থায়িত্ব ছিল ২০০৮ সাল পর্যন্ত।পরবর্তীতে নিয়ে যাওয়া হয় আমেরিকান ট`র্চার সেলে এবং সেখানে তার উপড় চলে পাশবিক নি`র্যাতন,মানসিক নি`র্যাতন।
কোরআন শরীফের পাতা ছিড়ে মেঝেতে বিছিয়ে রেখে তাকে উলংগ করে বলা হত যাও কোরআনের উপর দিয়ে গিয়ে কাপড় নিয়ে আসো।ঐ নরপ`শুরা তাকে বিভিন্নভাবে

নির্যাতন চালাতে শুরু করে,খেলায় মেতে ওঠে ঐ হায়েনার দলেরা।পালাক্রমে গনধ`র্ষনের স্বীকার হন এই কোরআনের হাফেজা,নিউরো সাইন্টিস্ট ড:আফিয়া সিদ্দিকা। আমেরিকান আদালত তাকে ৮৬ বছরের সাজা ঘোষনা করে এক আমেরিকান সেনা হ`ত্যা চেস্টার অপরাধে।আদালতে বিচারক কিছু বলার আছে কিনা জানতে চাইলে ড:আফিয়া সিদ্দিকা বলেন…

“আপনি তাদের ক্ষমতা দিয়েছেন আমাকে রে’প করার,উলঙ্গ করে সার্চ করার। আপনার কাছে কিছুই বলার নেই আমার,আমি আমার আল্লাহর কাছে যেয়েই যা বলার বলব।
আমিতো সেদিনই মরে গেছি যেদিন আমাকে প্রথম ধ`র্ষন করা হয়েছিল। আমাকে ছেড়ে দিন, আমাকে আমার দেশে যেতে দিন।” ড. হাফেজা আফিয়া সিদ্দিকার মূল অ’পরাধ ছিল তিনি একজন কোরআনের হাফেজা ছিলেন।

এত উচ্চশিক্ষিত হয়েও কেন তিনি কোরআনের দিকে ঝুঁকে ছিলেন,কেন তিনি তাঁর বক্তব্যে কোরআনের রেফারেন্স টানতেন..? কেন তিনি দ্বীনের পথে সামিল হওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়েছিলেন..?

এক বছর নয় দুই বছর নয়………..নয় নয়টি বছর হাফেজা আফিয়া কে একটানা ধ`র্ষন করা হয়েছিল ঐ অন্ধকার কারাগারে আটকে রেখে। শুধু ধ`র্ষন নয় এর পাশাপাশি মরন ব্যাধি ক্যান্সারের বীজও তার শরীরে পুঁতে দিয়েছিল ন`রপ`শুরা।২০০৮ সালে তাকে স্থানান্তর করা হয় নিউইয়র্কের এক গোপন কারাগারে।

বর্তমানে তিনি পুরুষদের সাথে ওই কারাগারে বন্দি। কারাবন্দি নম্বর ৬৫০। চলমান নি’র্যাতন সহ্য করতে না পেরে তিনি মানসিক ভারসাম্য হরিয়ে ফেলেন।
ইসলাম ধর্ম নিয়ে ফেসবুকে ক’টূক্তি, ২ তরুণ আ’টক

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৭-২০২০ 'দৈনিক সময়'
The website Developed By Sadeshbangla.Com